Published : 26 Feb 2026, 08:05 AM
এই বিশ্বকাপে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম যেন দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরের মাঠ! আসরে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচের চারটিই তারা খেলেছে এই মাঠে। পরের ম্যাচটিও খেলবে এখানেই। তবে এ কারণে তারা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন বলে মনে করেন না প্রোটিয়া স্পিনার কেশাভ মহারাজ।
গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচের তিনটিই আহমেদাবাদে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে এখানেই তারা দারুণ ব্যাটিং ও বোলিং পারফরম্যান্সে উড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিক ও শিরোপাধারী ভারতকে। আসরে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচের সবকটিই জিতেছে এইডেন মার্করামের দল।
আহমেদাবাদে বৃহস্পতিবার আসরের আরেক অপরাজিত দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। একই মাঠে বেশি ম্যাচ খেলায় কন্ডিশনের ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার কিছু দেখছেন না মহারাজ। খুব বেশি ভ্রমণ যে করতে হচ্ছে না, সেটা অবশ্য মেনে নিচ্ছেন তিনি, “ভ্রমণ না করা ভালো দিক।”
“পিচের দিক থেকে দেখলে, প্রতিটি ম্যাচই ছিল ভিন্ন। এখানে যে চারটি ম্যাচ আমরা খেলেছি, কন্ডিশন ছিল পুরোপুরি ভিন্ন, তাই এটাকে খুব বেশি সুবিধা হিসেবে দেখছি না। এটা ঠিক যে, প্রতিপক্ষের তুলনায় আমরা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারছি।”
মহারাজের কথা ঠিক। আহমেদাবাদে ভিন্ন তিন উইকেটে খেলেছে তারা। আফগানিস্তান ও নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছে লাল মাটির উইকেটে, একই উইকেটে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ। মিশ্র মাটির উইকেটে খেলেছে কানাডার বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। ভারতের বিপক্ষে খেলেছে কালো মাটির উইকেটে।
ম্যাচ শুরুর সময়ও ছিল আলাদা। কানাডা, নিউ জিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে খেলেছে তারা স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাতটায় এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে সকাল ১১টায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে বিকাল তিনটায়।
লাল মাটির উইকেটে বাউন্স থাকতে পারে বেশি। টস জেতা দল তাই আগে বোলিং নিতে পারে। এই মাঠে এখন পর্যন্ত হওয়া ১৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির মধ্যে টস জেতা অধিনায়করা আগে বোলিং নিয়েছে ১০টিতে এবং ম্যাচ জিতেছে চারটি, ‘টাই’ হয়েছে একটি। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা দলগুলো ১০ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে পাঁচটি।
ভারতের বিপক্ষে রাতের ম্যাচে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক মার্করাম। কারণ, তিনি ধারণা করেছিলেন রাতে শিশির বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। ম্যাচের পর পেসার লুঙ্গি এনগিডি তা নিশ্চিতও করে দেন। তাই পরে বোলিং করায় কোনো অসুবিধা ছিল না।
তাহলে কি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও রান ডিফেন্ড করতে চাইবে দক্ষিণ আফ্রিকা? মহারাজ ঠিক নিশ্চিত নন, “সবাই বলে লাল মাটি ও কালো মাটির উইকেটের আচরণ খুব আলাদা।”