Published : 30 Oct 2022, 04:23 PM
পাওয়ার-প্লে শেষের পর আক্রমণে এসে প্রথম বলেই উইকেট প্রাপ্তির আনন্দে ভাসলেন শাদাব খান। ছন্দ ধরে রেখে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পরে নিলেন আরও দুটি উইকেট। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম জয়ে রাখলেন অগ্রণী ভূমিকা। সেই সঙ্গে এই লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার নিজেও পেলেন একটি প্রথম এর স্বাদ।
পার্থ স্টেডিয়ামে রোববার নেদারল্যান্ডসের ৯১ রান ৬ উইকেট আর ৩৭ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় পাকিস্তান। ডাচদের একশর নিচে আটকে রাখতে ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শাদাব। ডট বল খেলান ১১টি।
এই পারফরম্যান্সে ম্যাচ সেরার পুরষ্কার জেতেন ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচ খেলে এই স্বাদ তিনি পেলেন প্রথমবার, সব মিলিয়ে ৭৯ ম্যাচের ক্যারিয়ারে নবমবার।
বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় সেরা বোলিং। গত আসরে সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৬ রানে ৪ উইকেট সেরা।
এবার প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে উইকেটশূন্য থাকার পর টানা দুই ম্যাচে তিনি পেলেন তিনটি করে উইকেট। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দলের ১ রানে হারের ম্যাচে তার প্রাপ্তি ছিল ২৩ রানে ৩ উইকেট।
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সপ্তম ওভারে বল হাতে পেয়ে টম কুপারকে ফিরিয়ে প্রথম শিকার ধরেন শাদাব। ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দেন ব্যাটসম্যান। ওভার থেকে আসে স্রেফ ২ রান।
নিজের পরের ওভারে আবারও প্রথম বলে উইকেট নেন শাদাব। এবার তার গুগলিতে এলবিডব্লিউ হন ম্যাক্স ও’ডাওড। তৃতীয় বলেও এলবিডব্লিউয়ের আবেদন হয়। আম্পায়ার এ যাত্রায় সাড়া দেননি, লাভ হয়নি রিভিউ নিয়েও। এই ওভারেও আসে ২ রান।
একই স্পেলে পরের ওভারে একটি চার হজম করে শাদাব দেন ৯ রান। পঞ্চদশ ওভারে বোলিংয়ে ফিরে তিনি দ্বিতীয় বলে এলবিডব্লিউ করে দেন নেদারল্যান্ডসের সর্বোচ্চ স্কোরার কলিন আকারম্যানকে (২৭)। এই ওভারেও ৯ রান দিয়ে শেষ করেন নিজের কোটা।
শাদাবের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন পাকিস্তানের পেসাররাও। পরে ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে মুখোমুখি দ্বিতীয় বলে চার মেরে দলের জয়ে তুলির শেষ আঁচরটাও দেন শাদাব।