Published : 03 Apr 2026, 10:24 AM
আপিল করেও লাভ কিছু হলো না। ফাখার জামানের নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলো না, কমানোও হলো না। বল টেম্পারিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়া অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে তাই দুটি ম্যাচে পাচ্ছে না লাহোর কালান্দার্স।
মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে শুক্রবারের মাচে এবং আগামী বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না ৩৫ বছল বয়সী ব্যাটসম্যান।
পিএসএলের প্লেয়িং কন্ডিশনের ৪১.৩ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ফাখারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, যেখানে উল্লেখ আছে ম্যাচ চলার সময় অন্যায্য সুবিধা নেওয়ার জন্য বলের অবস্থা পরিবর্তন করা বিষয়টি। গত রবিবার রাতে করাচি কিংসের বিপক্ষে কালান্দার্সের চার উইকেটের পরাজয়ের ম্যাচের ঘটনা সেটি।
শেষ ওভার শুরুর আগে শাহিন শাহ আফ্রিদি ও ফাখারের মধ্যে বল হাতবদল হওয়ার পর বোলার হারিস রউফের কাছ থেকে বলটি চেয়ে নেন মাঠের আম্পায়ার ফায়সাল আফ্রিদি। মাঠের আরেক আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদের সঙ্গে ফায়সালের দীর্ঘ আলোচনা হয় এবং বলটি টেম্পার করা হয়েছে ধরে নিয়ে তারা বদলি বল আনার সিদ্ধান্ত নেন। কালান্দার্সকে পাঁচ রানের পেনাল্টিও দেওয়া হয়। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ায় যায় বড় ভূমিকা রাখে। শেষ ওভারে কিংসের প্রয়োজন ছিল ১৪ রান, পেনাল্টির পর তা নেমে আসে ৯ রানে। তারা ম্যাচ জিতে নেয় ৩ বল বাকি রেখে।
পরে বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ আনা হয় ফাখারের বিরুদ্ধে এবং শুনানির পর তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়। পিএসএল আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রথমবার ‘লেভেল ৩’ মাত্রার অপরাধের শাস্তি ন্যূনতম এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থেকে সর্বোচ্চ দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা।
সেই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করেন ফাখার। পিসিবি বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে জানায়, আপিলে আগের শাস্তির সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।
“পিএসএল টেকনিক্যাল কমিটি আজ আপিলটির শুনানি করেছে। নতুন করে তদন্ত পরিচালনা, সমস্ত প্রমাণ পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনার পর, আপিলটি খারিজ করে দিয়েছে কমিটি এবং ম্যাচ রেফারি রোশান মাহানামার আরোপিত দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে।”
“আচরণবিধি অনুসারে, পিএসএল টেকনিক্যাল কমিটি কর্তৃক গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্তই উক্ত বিষয়ের পূর্ণ, চূড়ান্ত ও সঠিক নিষ্পত্তি বলে গণ্য হবে এবং তা সকল পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।”