Published : 02 May 2026, 12:27 AM
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ২৮ রান। ১৯তম ওভারে ২২ রান নিয়ে সমীকরণ সহজ করে ফেলল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারল না তারা কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছাতে। শেষ ওভারে হুনাইন শাহর অসাধারণ বোলিংয়ে রুদ্ধশ্বাস জয়ে ফাইনালে উঠল হায়দরাবাদ কিংসমেন।
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসরের দ্বিতীয় এলিমিনেটরে ২ রানে জিতেছে মার্নাস লাবুশেনের দল। নবাগত দল কিংসমেনের ১৮৬ রানের জবাবে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন ইউনাইটেড করেছে ১৮৪ রান।
শেষ ওভারে ইউনাইটেডের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। নাসিম শাহর ভাই হুনাইনের এই ওভারে আসে কেবল ৩ রান, উইকেট পড়ে একটি।
১৯তম ওভারে দুটি চার ও একটি ছক্কা মারা ক্রিস গ্রিন শেষ ওভারের প্রথম বলে রান নিতে পারেননি। পরের বলে লং-অনে খেলে এক রান নিতে পারেন তিনি। তৃতীয় বলে অফ স্টাম্পের বাইরের ইয়র্কারে ব্যাট ছোঁয়াতে পারেননি ফাহিম আশরাফ। চতুর্থ বলে লং-অফে ধরা পড়েন তিনি (১১ বলে ১৯)।
পঞ্চম বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে আরেকটি ইয়র্কার, পয়েন্টের দিকে খেলে কেবল এক রান নিতে পারেন ইমাদ ওয়াসিম।
শেষ বলে দরকার ছিল ৪ রান। হুনাইনের আরেকটি চমৎকার ইয়র্কার ব্যাটে খেলতে পারেননি গ্রিন, লেগ বাই থেকে আসে এক রান। তার আগেই শুরু হয়ে যায় কিংসমেনের উৎসব।
এক ছুটে মাঠের আরেক পাশে চলে যান বোলার। ক্যাপ খুলে ছুটতে থাকেন অধিনায়ক লাবুশেন। ডাগআউট থেকে মাঠে ছুটে আসেন অন্যরা। চলে আনন্দ-উল্লাস।
নিজের প্রথম তিন ওভারে ৩৫ রান দিয়েছিলেন হুনাইন। শেষ ওভারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে তিনিই নায়ক।
জয়ের ব্যবধান যখন স্রেফ ২ রানের, তখন হাসান খানের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের কথাও উল্লেখ করতেই হয়। ১৭তম ওভারে আকিফ জাভেদের বলে সীমানা কুশনের ওপর শূন্যে ভেসে ফাহিমের নিশ্চিত ছক্কা বাঁচিয়ে দেন তিনি, আসে শুধু ২ রান।
প্রথমবার পিএসএলে অংশ নিয়ে প্রথম চার ম্যাচের সবকটিই হেরে যায় কিংসমেন। সেই দলই পরের আট ম্যাচের সাতটি জিতে পৌঁছে গেল ফাইনালে। আগামী রোববার শিরোপা লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ পেশাওয়ার জালমি।