Published : 11 May 2026, 06:42 PM
তামিম ইকবাল তখনও তরুণ। টেস্ট ক্রিকেটেও আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের বিজ্ঞাপন মেলে ধরে আলোড়ন তুলেছেন বেশ। সেই সময়ই ধারাবাহিকতার একটি নজিরও গড়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে গড়েছিলেন টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি। ১৬ বছর সময় পর তার নেই কীর্তিতে নাম লেখালেন মুমিনুল হক।
পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রান করে তামিমের সঙ্গী হন মুমিনুল। এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রান করেছিলেন তিনি ৯১।
এই সিরিজের আগে তিন ইনিংসে মুমিনুলের রান ছিল ৮৭, ৬৩ ও ৮২। সেই ইনিংস তিনটি ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
টানা পাঁচ ইনিংসে ফিফটি করলেও মুমিনুলে আক্ষেপ থাকতেই পারে, একটিকেও শতরানে রূপ দিতে পারেননি তিনি। যেটি পেরেছিলেন তামিম ইকবাল। তার সেই টানা পাঁচটি পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসের দুটি ছিল সেঞ্চুরি।
তামিমের পাঁচটি ইনিংসই ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০১০ সালের মার্চে মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসে করেছিলেন তিনি ৮৫ ও ৫২। এরপর ফিরতি সফরে মে মাসে ইংল্যান্ডে যায় বাংলাদেশ। লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১০০ বলে ১০৩। পরের টেস্টে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে আসে ১১৪ বলে ১০৮ রানের ইনিংস।
ওই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২ রানে আউট হয়ে ভাঙে তামিমের ধারা।
মুমিনুলের সামনে এখন হাতছানি তামিমকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নেওয়ার। পরের দুটি ইনিংসে ফিফটি ছুঁতে পারলে তিনি স্পর্শ করবেন বিশ্বরেকর্ডও।
টেস্টে টানা সাত ইনিংসে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসের বিশ্বরেকর্ড যৌথভাবে ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি এভারটন উইকস, জিম্বাবুয়ের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, ক্যারিবিয়ান গ্রেট শিবনারাইন চান্দারপল, লঙ্কান কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ক্রিস রজার্স ও ভারতের লোকেশ রাহুলের।