১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে তাইজুল ও মুশফিক, উন্নতি লিটন ও নাহিদের

বোলিংয়ের পাশাপাশি অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়েও অগ্রগতি হয়েছে তাইজুল ইসলামের।

ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে তাইজুল ও মুশফিক, উন্নতি লিটন ও নাহিদের
টেস্ট বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১১ নম্বরে তাইজুল ইসলাম। ছবি: বিসিবি।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 May 2026, 06:15 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:19 PM

টেস্ট শেষ হওয়ার পর পেরিয়ে গেছে এক সপ্তাহ। রেশও মিলিয়ে যেতে শুরু করেছে। তবে আইসিসি র‌্যাঙ্কিং মনে করিয়ে দিল, সিলেট টেস্টে কতটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। বল হাতে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের নাকানিচুবান খাইয়ে ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিং অর্জন করেছেন তাইজুল ইসলাম। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজ হয়ে ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থানে উঠে এসেছেন মুশফিকুর রহিম।

এছাড়াও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে লিটন কুমার দাস ও নাহিদ রানার। 

সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসের ৬টিসহ ম্যাচে মোট ৯ উইকেট শিকার করেন তাইজুল। স্পোর্টিং উইকেটে তার বোলিংয়ের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয়গুলোকেও যেন কবর দিয়ে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এই পারফরম্যান্সে দুই ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের সফলতম টেস্ট বোলার এখন উঠে এসেছেন ১১ নম্বরে।

শুধু বোলিংয়েই নয়, সিলেটে ব্যাট হাতেও দুই ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাইজুল। আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন ২৯ নম্বরে।

স্পিন আক্রমণে তাইজুলের সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ দুই ধাপ এগিয়েছেন বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে। এই অফ স্পিনার এখন আছেন ২৫ নম্বরে। ব্যাট হাতে সিরিজটি ভালো না করলেও অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪ নম্বর জায়গা ধরে রেখেছেন তিনি।

সিলেটে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে নাহিদ রানা ছুটে চলেছেন উন্নতির পথ ধরেই। বোলাদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০ ধাপ এগিয়ে এখন তার অবস্থান ৫৪তম।

মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসও উন্নতি করেছেন র‌্যাঙ্কিংয়ে। ছবি: বিসিবি।

মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসও উন্নতি করেছেন র‌্যাঙ্কিংয়ে

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসের সেঞ্চুরিতে মুশফিক এগিয়েছেন ১০ ধাপ। ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিংয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি ১৬ নম্বরে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আপাতত তিনিই সবার ওপরে।

এই সিরিজে ২৫৯ রান করে ম্যান অব দা সিরিজ হন মুশফিক। ২১ বছর ও ১০২ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এই স্বীকৃতি পান তিনি প্রথমবার। এবার ক্যারিয়ারের সেরা অবস্থানে পৌঁছলেন এই ৩৯ বছর বয়সে এসে। 

এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানের অসাধারণ ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রান করে ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন লিটন। ১৪ ধাপ এগিয়ে এখন তিনি আছে ২৪ নম্বরে।

মিরপুর টেস্টে সেঞ্চুরি করলেও সিলেটে ভালো করতে না পেরে নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৩০ নম্বরে। এই টেস্টে ২২ ও ৩০ রানে আউট হয়ে ৩ ধাপ পিছিয়ে ৩৮ নম্বরে নেমেছেন মুমিনুল হক।

দল হারলেও র‌্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেয়েছেন পাকিস্তানের খুররাম শাহজাদ। প্রায় দেড় বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে দুই ইনিংসেই ৪টি করে উইকেট নিয়ে এই পেসার আবার র‌্যাঙ্কিংয়ে ঢুকেছেন ৪৯ নম্বরে স্থানে থেকে। 

পারফরম্যান্সের মতো র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতিতেও দারুণ মিল পাকিস্তানের শান মাসুদ ও সালমান আলি আগার। সিলেটে দুজনই প্রথম ইনিংসে আউট হয়েছেন ২১ রানে, দ্বিতীয় ইনিংসে ৭১ রানে। ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ে দুজনই এগিয়েছে দুই ধাপ। সালমান আছেন এখন ২৭ নম্বরে, অধিনায়ক মাসুদ ৪৪।