বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে
Published : 12 May 2024, 09:40 AM
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৭/৬
জিম্বাবুয়ে: ১৮.৩ ওভারে ১৫৮/২
বেনেট-রাজার ব্যাটে হোয়াইটওয়াশ এড়াল জিম্বাবুয়ে
সিরিজের শেষ ম্যাচে পারল না বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্বও রইল অধরা। পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটের সহজ জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল জিম্বাবুয়ে।
১৫৮ রানের লক্ষ্য ৯ বল বাকি থাকতেই ছুঁয়ে ফেলে সফরকারীরা।
শুরুতে ঝড় তোলেন ব্রায়ান বেনেট। পরে দায়িত্ব নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন সিকান্দার রাজা। শেষ দিকে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।
ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিতে ৪৯ বলে ৭০ রান করেন বেনেট। ৪৬ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন রাজা। দুজনের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৭৫ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভারে স্রেফ ৯ রানে ১ উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। অন্য উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। কিন্তু ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৫৫ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৭/৬ (তানজিদ ২, সৌম্য ৭, নাজমুল ৩৬, হৃদয় ১, মাহমুদউল্লাহ ৫৪, সাকিব ২১, জাকের ২৪*, সাইফ উদ্দিন ৬*; রাজা ৪-০-২৬-০, মুজারাবানি ৪-১-২২-২, বেনেট ৩-১-২০-২, আকরাম ২-০-২০-০, মাসাকাদজা ২-০-২৩-১, জঙ্গুয়ে ৪-০-৩৩-১, উইলিয়ামস ১-০-১২-০)
জিম্বাবুয়ে: ১৮.৩ ওভারে ১৫৮/২ (বেনেট ৭০, মারুমানি ১, রাজা ৭২*, ক্যাম্পবেল ৭*; মেহেদি ২.২-০-৩০-০, সাকিব ৪-০-৯-১, সাইফ উদ্দিন ৪-০-৫৫-১, মুস্তাফিজ ৩-০-১৮-০, রিশাদ ৪-০-৩৩-০, সৌম্য ১-০-১০-০)
ফল: জিম্বাবুয়ে ৮ উইকেটে জয়ী
দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে রাজার ফিফটি
তিন নম্বরে নেমে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন সিকান্দার রাজা। এরই মধ্যে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।
৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ বলে মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রাজা।
১৭ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩৪ রান। ১৮ বলে তাদের প্রয়োজন আর ২৪ রান।
রাজা ৪২ বলে ৫৪ ও জোনাথান ক্যাম্পবেল ৪ বলে ২ রানে অপরাজিত।
জুটি ভাঙলেন সাইফ উদ্দিন
মাথাব্যথার কারণ হয়ে ওঠা জুটি ভেঙে ব্রেক থ্রু দিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। অফ স্টাম্পের বাইরে স্লোয়ার ডেলিভারি ছক্কায় ওড়াতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দিলেন ব্রায়ান বেনেট।
৫টি করে চার-ছক্কায় ৪৯ বলে ৭০ রান করে ফেরেন জিম্বাবুয়ে ওপেনার। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান জোনাথান ক্যাম্পবেল।
১৫.১ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১১৩ রান। ২৯ বলে তাদের প্রয়োজন ৪৫ রান। ৩৫ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত সিকান্দার রাজা।
বেনেট-রাজার জুটিতে পঞ্চাশ
ব্রায়ান বেনেট ও সিকান্দার রাজার ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। এরই মধ্যে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে পঞ্চাশ রান যোগ করেছেন দুজন।
১৩ ওভারে সফরকারীদের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৯৭ রান। শেষ ৭ ওভারে তাদের প্রয়োজন ৬১ রান।
বেনেট ৪১ বলে ৫৯ ও রাজা ৩০ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত।
দারুণ ব্যাটিংয়ে বেনেটের পঞ্চাশ
চলতি সফরে জিম্বাবুয়ের প্রথম ফিফটি করলেন ব্রায়ান বেনেট। ১১ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার প্রথম ফিফটিও এটি।
৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন জিম্বাবুয়ে ওপেনার। তার ব্যাটে এখনও জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সফরকারীরা।
১২ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৮৭ রান। বেনেট ৩৬ বলে ৫০ ও সিকান্দার রাজা ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত।
মাঝপথে জিম্বাবুয়ের ১ উইকেটে ৬২
শেখ মেহেদি হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ছাড়া আর কারও বিপক্ষে সুবিধা করতে পারছে না জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। দুজন মিলে ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪৯ রান। বাকি ৬ ওভার থেকে এসেছে মোটে ১৩ রান।
১০ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬২ রান। বাকি ১০ ওভারে তাদের প্রয়োজন ৯৬ রান।
ব্রায়ান বেনেট ৩০ বলে ৪১ ও সিকান্দার রাজা ২৩ বলে ১৮ রানে অপরাজিত।
পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট পেল বাংলাদেশ
ব্রায়ান বেনেটের দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও পাওয়ার প্লেতে বেশি রান করতে পারল না জিম্বাবুয়ে। টাডিওয়ানাশে মারুমানির উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৪১ রান।
বাকি ১৪ ওভারে প্রয়োজন আরও ১১৭ রান।
২৩ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত বেনেট। সিকান্দার রাজা খেলছেন ৬ বলে ২ রানে।
ব্রেক থ্রু দিলেন সাকিব
পঞ্চম ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন সাকিব আল হাসান। হালকা ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারি ক্রিজ ছেড়ে মারার চেষ্টায় ব্যাটে লাগাতে পারেননি টাডিওয়ানাশে মারুমানি। উইকেটের পেছনে জাকের আলি শুরুতে ঠিকঠাক ধরতে পারেননি।
তবে মারুমানি ক্রিজে ফেরার আগেই স্টাম্প ভাঙেন বাংলাদেশ উইকেটরক্ষক। ৭ বলে ১ রানে ফেরেন মারুমানি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের ৬৯৯তম উইকেট এটি।
৪.১ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৮ রান। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা।
১৮ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত ব্রায়ান বেনেট।
বেনেটের ব্যাটে জিম্বাবুয়ের দারুণ শুরু
শেখ মেহেদি হাসানের প্রথম ওভারে দুটি চার মারলেন ব্রায়ান বেনেট। অফ স্পিনারের পরের ওভারে দুই চারের সঙ্গে তিনি মারলেন ইনিংসের প্রথম ছক্কা। তার ব্যাটে উড়ন্ত শুরু পেল জিম্বাবুয়ে।
মাঝে দ্বিতীয় ওভারে ১ রান দেন সাকিব আল হাসান।
৩ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান। সব রান বেনেটের একার। আরেক ওপেনার টাডিওয়ানাশে মারুমানি ২ বলে রানের খাতা খুলতে পারেননি।
১৫৭ রানে থামল বাংলাদেশ
জাকের আলির শেষ দিকের ঝড়ে দেড়শ পেরোল বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের অভিযানে জিম্বাবুয়েকে লক্ষ্য দিলো ১৫৮ রানের।
স্রেফ ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ৬৯ রানের জুটিতে শুরুর চাপ সামাল দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে ফেরেন শান্ত। পরে সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ।
৪৪ বলে ৫৪ রান করেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২১ রান। জাকের খেলেন ১ চার ও ২ ছক্কায় ১১ বলে ২৪ রানের ক্যামিও।
১৫ বা তার কম রানে ৩ উইকেট হারানোর পর এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর। আগের সর্বোচ্চ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১২৮ রান। সেদিন ৮ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। পরে ম্যাচটি ১ উইকেটে জেতে ডাচরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৫৭/৬ (তানজিদ ২, সৌম্য ৭, নাজমুল ৩৬, হৃদয় ১, মাহমুদউল্লাহ ৫৪, সাকিব ২১, জাকের ২৪*, সাইফ উদ্দিন ৬*; রাজা ৪-০-২৬-০, মুজারাবানি ৪-১-২২-২, বেনেট ৩-১-২০-২, আকরাম ২-০-২০-০, মাসাকাদজা ২-০-২৩-১, জঙ্গুয়ে ৪-০-৩৩-১, উইলিয়ামস ১-০-১২-০)
মাহমুদউল্লাহকে ফেরালেন মুজারাবানি
শেষ দিকে এসে খেই হারাচ্ছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না মাহমুদউল্লাহ। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে এক্সট্রা কাভারে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।
৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৪ বলে তিনি করেন ৫৪ রান। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর ৮ বল থেকে তার ব্যাটে আসে স্রেফ ৪ রান।
১৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১২৮ রান। ক্রিজে দুই ব্যাটসম্যান জাকের আলি ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।
সাকিবকে ফেরালেন জঙ্গুয়ে
লুক জঙ্গুয়ের পায়ের ওপর করা ডেলিভারি ফ্লিক করার চেষ্টায় সামনের কানায় লেগে ডিপ মিড উইকেটে ধরা পড়লেন সাকিব আল হাসান। সীমানা থেকে অনেকটা দৌড়ে দারুণ ক্যাচ নিলেন ব্রায়ান বেনেট।
১ ছক্কায় ১৭ বলে ২১ রান করে ফিরলেন সাকিব। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান জাকের আলি।
১৭ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১২৪ রান। ৪০ বলে ৫৩ রানে অপরাজিত মাহমুদউল্লাহ।
ছক্কার পর শান্তর অক্কা
ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বল লং অন দিয়ে ছক্কায় উড়িয়ে পরের বলেই ড্রেসিং রুমের পথ ধরলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সুইপ করে তিনি ক্যাচ দিলেন ডিপ স্কয়ার লেগে দাঁড়ানো রায়ান বার্লের হাতে।
৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৮ বলে ৩৬ রান করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার বিদায়ে ভাঙল ৬৯ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।
১১.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৮৪ রান। ২৪ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত মাহমুদউল্লাহ।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান।
শান্ত-মাহমুদউল্লাহর জুটিতে পঞ্চাশ
বিপর্যয় সামাল দেওয়ার অভিযানে এখন পর্যন্ত দারুণভাবে এগোচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ। দুজন মিলে এরই মধ্যে গড়েছেন পঞ্চাশছোঁয়া জুটি।
স্রেফ ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে গিয়ে ব্রায়ান বেনেটের টানা তিনটি চার মারেন মাহমুদউল্লাহ। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর ফারাজ আকরামের বলে জোড়া চার মারেন শান্ত।
দেখেশুনে ব্যাটিংয়ে ৩২ বলে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেছেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ।
দশম ওভারে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন শান্ত। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার বলে ক্রিজ ছেড়ে মারার চেষ্টায় তার ব্যাটের বাইরের কানায় লাগে। থার্ড ম্যাচে ক্যাচের সুযোগ এলেও পেছন দিকে দৌড়ে নিতে পারেননি লুক জঙ্গুয়ে।
১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭০ রান। শান্ত ২৩ বলে ২৯ ও মাহমুদউল্লাহ ১৯ বলে ৩০ রানে অপরাজিত।
অষ্টম ওভারে বাংলাদেশের পঞ্চাশ
শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ। তাদের ব্যাটে অষ্টম ওভারে পঞ্চাশ পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ।
চতুর্থ উইকেটে এরই মধ্যে ২৩ বলে ৪০ রানের জুটি গড়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও শান্ত। অষ্টম ওভারের প্রথম দুই বলে চার মেরেছেন শান্ত। ওভার থেকে এসেছে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪ রান।
৮ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫৫ রান। শান্ত ১৮ বলে ২২ ও মাহমুদউল্লাহ ১২ বলে ২২ রানে খেলছেন।
পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেটে ৩৩
টস হেরে ব্যাটিংয়ের শুরুটা তেমন ভালো হলো না বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লেতে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৩ রান।
প্রথম ওভারে সিকান্দার রাজার বলে ছক্কা মেরে দারুণ কিছুর আভাস দেন সৌম্য সরকার। কিন্তু বেশি কিছু করতে পারেননি তিনি।
দ্বিতীয় ওভারে আউট হন তানজিদ হাসান। পরের ওভারে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন সৌম্যও। এরপর টিকতে পারেননি তাওহিদ হৃদয়ও। ১৫ রনে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
পঞ্চম ওভারে পরপর তিন চার মেরে রান রেট কিছুটা ধাতস্থ করেন মাহমুদউল্লাহ। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি মারেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ১২ বলে ১০ ও মাহমুদউল্লাহ ৬ বলে ১৩ রানে অপরাজিত।
টিকলেন না হৃদয়ও
পাঁচ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে গেল বাংলাদেশ। দুই ওপেনারের পর ফিরে গেলেন তাওহিদ হৃদয়ও।
ব্রায়ান বেনেটের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি কাট করার চেষ্টায় ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে কট বিহাইন্ড হলেন ৬ বলে ১ রান করা হৃদয়।
১৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলল বাংলাদেশ। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ। অন্য প্রান্তে নাজমুল হোসেন শান্ত।
সৌম্যকে ফেরালেন বেনেট
পরপর দুই ওভারে দুই ওপেনারের উইকেট হারাল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের পর ড্রেসিং রুমের পথ ধরলেন সৌম্য সরকার।
ব্রায়ান বেনেটের লাফানো ডেলিভারি কাট করতে গিয়ে সৌম্যর ব্যাটের ওপরের কানায় লাগে। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ নেন শন উইলিয়ামসন। ৭ বলে ৭ রান করেন সৌম্য।
ওভারে কোনো রানই দেননি বেনেট। আগের ওভার মেডেন নিয়েছিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি।
৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯ রান। ক্রিজে দুই ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়।
শুরুতেই ফিরলেন তানজিদ
দ্বিতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ব্লেসিং মুজারাবানির অফ স্টাম্পের বাইরের লেংথ ডেলিভারি পুল করার চেষ্টায় টাইমিং পাননি তানজিদ হাসান। শর্ট কভারে সহজ ক্যাচ নেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা।
৫ বলে ২ রান করে ফেরেন তানজিদ হাসান। এর আগে প্রথম ওভারে সিকান্দার রাজার বলে সুইপ করে ম্যাচের প্রথম ছক্কা মারেন সৌম্য সরকার।
২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৯ রান। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত।
জিম্বাবুয়ে দলে এনগারাভার জায়গায় উইলিয়ামস
চোটের কারণে শেষ ম্যাচের একাদশে একটি পরিবর্তন আনল জিম্বাবুয়ে। বাঁহাতি পেসার রিচার্ড এনগারাভার জায়গায় এলেন শন উইলিয়ামসন।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, শন উইলিয়ামস, টাডিওয়ানাশে মারুমানি, ক্লাইভ মাডান্ডে, লুক জঙ্গুয়ে, রায়ান বার্ল, ফারাজ আকরাম, জোনাথান ক্যাম্পবেল, ব্লেসিং মুজারাবানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা।
বাংলাদেশ একাদশে ৩ পরিবর্তন
হোয়াইটওয়াশের অভিযানে একাদশে তিন পরিবর্তন করল বাংলাদেশ। বাইরে রাখা হলো তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান ও তানভির ইসলামকে।
তাদের জায়গায় এলেন মাহমুদউল্লাহ, শেখ মেহেদি হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।
ফলে এই ম্যাচের একাদশে পেসার শুধু দুজন মুস্তাফিজুর রহমান ও সাইফ উদ্দিন। দলের প্রয়োজনে অবশ্য মিডিয়াম পেস বোলিং করতে পারেন সৌম্য সরকার।
স্পিন বিভাগে আছেন সাকিব আল হাসান, রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদি হাসান।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি, রিশাদ হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, শেখ মেহেদি হাসান, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
মিরপুরে আরও একবার কয়েনভাগ্যকে পাশে পেলেন সিকান্দার রাজা। টানা টস জিতে টানা তৃতীয়বার বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানালেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।
নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, টসের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নেই তার। আগে ব্যাটিংয়ে খুশি বাংলাদেশ।
হোয়াইটওয়াশের অভিযানে বাংলাদেশ
পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবার কোনো দলকে হোয়াইটওয়াশ করার হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। সেই অভিযানে রোববার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। খেলা শুরু সকাল ১০টায়।
বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে এটিই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ।
এর আগে দুটি পাঁচ ম্যাচের সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। কোনোটিতেই সব ম্যাচ জিততে পারেনি তারা। এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে জয় পেলে এই সংস্করণে দ্বিতীয়বার টানা পাঁচ ম্যাচ জয়ের স্বাদ পাবে স্বাগতিকরা।
সিরিজের প্রথম চার ম্যাচ জিতলেও ব্যাটিং নিয়ে দুর্ভাবনার জায়গা রয়েই গেছে। চট্টগ্রামে টপ-অর্ডারের ব্যর্থতায় দায়িত্ব নেন মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। মিরপুরে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে দুই ওপেনার রান করলেও নাটকীয় ধস নামে মিডল-অর্ডারে।