Published : 08 Jun 2026, 07:32 PM
মিচেল মার্শ ও ট্র্যাভিস হেডের বাংলাদেশে আসা নিয়ে তৈরি হয়েছিল টানাপোড়ন। সোমবার সকালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া নিশ্চিত তারা দুজন আসছেন না। গুরুত্বপূর্ণ দুই ক্রিকেটারকে হারিয়ে বড় ধাক্কাই খেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিসও বললেন, এই দুজনের অনুপস্থিতি দুর্ভাগ্যজনক। তবে তরুণরদের জন্য এটিকে সুযোগ হিসেবেও দেখছেন তিনি।
অ্যাঙ্কেলের চোটের কারণে পাকিস্তান সফরে ছিলেন না মার্শ। এখনও চোট কাটিয়ে না ওঠায় বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ থেকেও ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। ফিট হলে তিনি টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। আইপিএল শেষে ছুটি নেওয়া হেডের ছুটির মেয়াদ বেড়েছে। তাদের বদলি হিসেবে পাকিস্তান সিরিজে সুযোগ পাওয়া ম্যাথু শর্ট ও অলিভার পিক রয়ে গেছেন দলের সঙ্গে।
এমন অভিজ্ঞ ও ম্যাচ জেতানোর মতো দুই ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি দলের জন্য বড় ধাক্কা তো বটেই। তবে ইংলিস তাকাচ্ছেন ইতিবাচক দিকে। আগামী বছরের বিশ্বকাপে তাকিয়ে বিকল্প ক্রিকেটারদের বাজিয়ে দেখার সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
“মিচ (মিচেল) মার্শ ও ট্র্যাভিস হেডের ছিটকে যাওয়া মানে, সবসময়ই সেটা বড় ঘাটতি। তারা দুজনই দারুণ ক্রিকেটার। এটা দূর্ভাগ্যজনক তারা এখানে (বাংলাদেশে) নেই। কিন্তু একই অবস্থা ছিল পাকিস্তানে সবশেষ সিরিজেও।”
“তবে এই কন্ডিশনে কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারের অভিজ্ঞতা অর্জন করাও গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই সামনে বিশ্বকাপে আছে, এর আগে আমরা ভিন্ন ভিন্ন কম্বিনেশন আর কয়েকজন নতুন ক্রিকেটারকে দেখে নিতে পারব। আমার মনে হয়, এটা সত্যিই জরুরি।”
মার্শের অনুপস্থিতিতে পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশ সফরেও ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্বে থাকবেন ইংলিস। ৩৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দুই দফায় চার ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সহজাত নেতা হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট আঙিনায় পরিচিতি আছে তার। ভবিষ্যতে তাকিয়ে, বিশেষ করে ২০২৭ বিশ্বকাপের পর নিজেকে নিয়মিত অধিনায়ক হিসেবে কল্পনা করেন কি না, এমন প্রশ্ন উঠল সংবাদ সম্মেলনে।
“আমি ঠিক এমনটা বলব না। সত্যি বলতে, এতো দূরের কথা এখনও ভাবিনি। এখন তারা (প্যাট কামিন্স ও মিচেল মার্শ) নেই। যখন প্রয়োজন তখন আমি হাল ধরতে এগিয়ে আসব।”
“গত কয়েকটি সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত। এটা আমার জন্য বিশেষ কিছু।”
অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের দলে পাচ্ছেন না ইংলিস। তরুণ-অনভিজ্ঞদের সঙ্গী করে অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টায় আছেন।
“অনভিজ্ঞ কিছু ক্রিকেটার দলে আছে এটা আমার কাছে দারুণ মনে হয়। তারা এসে বিভিন্ন কন্ডিশনে খেলছে এটাও দারুণ ব্যাপার। তাদেরকে সঙ্গে অভিজ্ঞতা নেওয়ার চেষ্টা করছি এবং ক্রিকেটার হিসেবে আরও পরিপক্ক হওয়ার চেষ্টা করছি।”