রাত দুইটায় বোলিং করতে বললে সেটার জন্যও তৈরি বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই স্পিনার।
Published : 13 Aug 2024, 04:21 PM
বোলিংটা কেশাভ মহারাজের কাছে আবেগের জায়গা। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাত ঘুরিয়ে যেতে একটুও ক্লান্তিবোধ করেন না তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকান বাঁহাতি স্পিনার বললেন, দলের প্রয়োজনে সারাদিন বোলিং করতে একবারের জন্যও ভাবতে হবে না তাকে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিনিদাদ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪০ ওভার বোলিং করেন মহারাজ। বৃষ্টির কারণে মাঝে বিরতি পান তিনি। তবে ২০০১ সালের পর ছেলেদের টেস্টে এটি কোনো বোলারের দ্বিতীয় দীর্ঘতম স্পেল।
ড্র হওয়া ওই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৩৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১২৪ রানে লিড নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ইনিংসে দলটি বোলিং করে ৯১.৫ ওভার, যার প্রায় অর্ধেকটা করেন মহারাজ। ৪০ ওভার করে ১৫ মেডেন দিয়ে ৭৬ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার করা ৫৬.২ ওভারের মধ্যে ২৬.২ ওভারই করেন মহারাজ। ২ মেডেন ও ৮৮ রান দিয়ে এবারও ধরেন তিনি ৪ শিকার। ত্রিনিদাদে এই স্পিনার বললেন, দল চাইলে রান দুইটায় উঠেও বোলিং করতে প্রস্তুত তিনি।
“স্পিন বোলিং আমার প্যাশন। আমি এটা করতে ভালোবাসি। আমাকে যদি রাত দুইটায় উঠেও বোলিং করতে বলা হয়, আমি করব।”
“এটা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আর দলের জন্য ভালো করতে চাওয়া এবং এই দলকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা থাকার কারণে প্রয়োজনে সারাদিন বোলিং করব।”
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ত্রিনিদাদ টেস্টের দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশে বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে কেবল ছিলেন মহারাজ। দীর্ঘ সময় যে বোলিং করতে হবে তা ভালো করেই জানতেই তিনি। তবে এর জন্য সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখার কথা বললেন এই স্পিনার।
“আমি যে সংস্করণেই খেলেনি না কেন, এমনভাবে কাজ করি যেন আমি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। একটা পরিবর্তনই করতে হয়, সেটা হলো লেংথ আর মাঝেমধ্যে লাইনেও কিছুটা বদল আনতে হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ বোলিংয়ে জন্য, আমি এখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বোলিং করি, সেটা টি-টোয়েন্টি হোক বা পঞ্চাশ ওভারের প্রস্তুতি।”
“এটা নিয়ে আমি গর্ববোধ করি। বিশ্বের অন্যান্য স্পিনারদের মতো আমার খুব বেশি বৈচিত্র্য নেই। তাই আমি ধারাবাহিকতার উপর নির্ভর করার চেষ্টা করি এবং দীর্ঘ সময় ধরে এটি করতে চাই।”