Published : 08 Nov 2025, 09:48 PM
বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) ফিকি সাসটেইনেবিলিটি গেম চেঞ্জার অ্যাওয়ার্ডে ‘কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার দেওয়া হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালে বাস্তবায়িত উন্নয়নমূলক কমিউনিটি উদ্যোগগুলোর জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল কুদ্দুস খান ও করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, পার্টনারশিপস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর শামিমা আক্তার ইউনিলিভার বাংলাদেশের তরফে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।
ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল কুদ্দুস খান বলেন, “ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রতিটি কার্যক্রমের মূলেই রয়েছে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। আমাদের গ্রোথ অ্যাকশন প্ল্যান (জিএপি) ২০৩০ এর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চারটি মূল ক্ষেত্র-জলবায়ু, প্রকৃতি, প্লাস্টিক ও জীবিকা-নিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছি।
“কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট বিভাগে ফিকি সাসটেইনেবিলিটি গেম চেঞ্জার অ্যাওয়ার্ড পাওয়া আমাদের দায়িত্ববোধ এবং কর্মী ও অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।”
শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ বলেছে, এ স্বীকৃতি ইউনিলিভার বাংলাদেশের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও বৃহৎ পরিসরে কমিউনিটি ইমপ্যাক্ট তৈরির প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে। কোম্পানিটি স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, জীবিকা, ক্ষমতায়ন ও পরিবেশের স্থিতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সংকটকালে দ্রুত ও সহানুভূতিশীল ইমার্জেন্সি রেসপন্সের মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, কমিউনিটি প্রোগ্রামগুলো ইতোমধ্যে সারাদেশে ১২ কোটিরও বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের মাধ্যমে জলবায়ু-প্রভাবিত চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া, ভূমিজোর সহযোগিতায় জনসাধারণের জন্য স্যানিটেশন অবকাঠামো উন্নয়ন, চট্টগ্রামে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভ্যালুচেইন সংস্কার, এবং জীবিকা ও খুচরা ব্যবসায় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগের মাধ্যমে ১৩ লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তিন হাজারের বেশি বর্জ্যকর্মীর জীবনমান উন্নত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউনিলিভার বাংলাদেশ এ বছর এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ ‘মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন ও কমিউনিটি উদ্যোগের জন্য আরও ছয়টি পুরস্কার পেয়েছে বহুজাতিক এফএমজি কোম্পানিটি।