খাবারে 'পচা' মাংস, ঢাবির হলে দোকান বন্ধ

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মকবুল হোসেন ভূঁইয়া যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Sept 2022, 06:56 PM
Updated : 10 Sept 2022, 06:56 PM

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলে খিচুড়ি সঙ্গে মুরগির 'পচা' মাংস খাওয়ানোর অভিযোগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে একটি দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে ওই দোকানে খাবার খেতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা মুরগির মাংসের মধ্যে পচা গন্ধ পান। পরে এ নিয়ে দোকানদারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার মধ্যে সব খাবার মাটিতে ফেলে দেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে দোকানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মকবুল হোসেন ভূঁইয়া যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

তসলিম নামে হলের এক নিরাপত্তা কর্মী দোকানটি চালাতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার পর হলের ক্যান্টিন ও দোকানের দায়িত্বে থাকা আবাসিক শিক্ষক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন এবং শাখা ছাত্রলীগের নেতারা উপস্থিত হয়ে দোকান সিলগালা করে বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আজিজুল হক বলেন, “তসলিম হলের একজন নিরাপত্তা কর্মী৷ হলের কর্মী হওয়ার পাশাপাশি তিনি হলেই একটি দোকানে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবসা করে আসছেন৷

"বিভিন্ন সময়ে পচা খাবার খাওয়ানো এবং খাবারের অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার দোকান আরও অনেকবার বন্ধ করা হয়েছিল৷ কিন্তু দুই একদিন সব ঠিক থাকে তারপর আবার তাদের এই পচা খাবার ও খাবারের দাম বাড়ানোর কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি হয়৷"

হল কর্মচারী হয়েও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নানা সময়ে খারাপ ব্যবহার করেন বলেও তার অভিযোগ।

তবে এবিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি দোকানদার তসলিম মিয়া।

সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি মারিয়াম জামান খান সোহান বলেন, "আমরা হল প্রশাসনকে বারবার অনুরোধ করেছি তদারকি করার জন্য যে, শিক্ষার্থীরা মানসম্মত খাবার পাচ্ছে না। আমরা স্যারদের বলেছি আপনারা ক্যান্টিনে, দোকানে এসে দু'একবেলা খেয়ে যান মাঝে মাঝে। আপনারা খাবেন এ কারণেই খাবারের মান বৃদ্ধি করতে পারে।"

এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ মকবুল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দোকানে একটু সমস্যা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক