Published : 01 Nov 2023, 10:32 PM
বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পাওনা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
বুধবার সংসদ ভবনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এমন সুপারিশ করা হয়।
এদিনের বৈঠকে বাংলাদেশ বিমানের অবারিত সুযোগ সুবিধার মধ্যে ব্যক্তিখাতের উড়োজাহাজ কোম্পানিগুলো অস্তিত্ব সঙ্কটে পড়েছে বলে দাবি করেছে অ্যাভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এওএবি)।
এছাড়া সংগঠনটি স্থায়ী কমিটির কাছে এ খাতের অসম প্রতিযোগিতার সমাধানসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে।
কমিটির বৈঠকে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করেন এওএবির মহাসচিব মফিজুর রহমান। তিনি বলেন, গত ৩০ বছরে বিপুল বিনিয়োগের পর আটটি যাত্রী ও ১২টির বেশি কার্গো এয়ারলাইন্স বিরাট দেনার ভারে দেউলিয়া হয়ে গেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে বর্তমানে টিকে থাকা সংস্থাগুলোও ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।
বৈঠকের পর সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে বেবিচকের পাওনা টাকা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ খাতকে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়।
দেশের চারটি বেসরকারি উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থার কাছে বেবিচকের পাওনা প্রায় ১ হাজার ২২৩ কোটি টাকা। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছিল।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মে পর্যন্ত হিসাবে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ, নভোএয়ার, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছে সারচার্জ ও ভ্যাটসহ এ টাকা পাওনা আছে।
এগুলোর মধ্যে নভোএয়ার ছাড়া বাকি তিনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ওই তিন কোম্পানির কাছে পাওনা ১১৯২ কোটি টাকার বেশি।
এদিকে বৈঠকে এওএবি মহাসচিব ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর সরকারি বিভিন্ন ‘অবারিত’ সুযোগের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের ভর্তুকিমূলক পরিচালক নীতির জন্য ব্যক্তিখাতের এয়ারলাইন্সগুলোর টিকে থাকা নিয়ে সংশয়ের কথা তুলে ধরেন। অসম প্রতিযোগিতার এ বিষয়ে কমিটির কাছে সমাধান চান তিনি। তিনি বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতকে রক্ষায় ছয়টি সুপারিশ করেন।