Published : 30 May 2026, 12:43 AM
কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া নিয়ে ঈদের দিন মৌসুমি ব্যবসায়ী আর আড়তদারদের মধ্যে যে হতাশা ও অসন্তোষ ছিল, ঈদের দ্বিতীয় দিনে তা দেখা যায়নি।
শুক্রবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পশু কোরবানি হয়েছে।
ট্যানারি মালিকদের ‘খেয়ালখুশি’ মতো মূল্য দেওয়ায় কম দামে কাঁচা চামড়া সংগ্রহের যে প্রবণতার কথা বলা হয়েছিল ঈদের দিন, তা শোনা যায়নি এদিন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার ঈদের দিনে চামড়ার দাম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা, আর চামড়ার গুণগত মান নিয়ে ট্যানারদের সঙ্গে তাদের যে টানাপড়েন, তা নিয়ে অসন্তোষের কথা বলেছিলেন আড়তদাররা।
গরুর চামড়ায় ছোপ ছোপ দাগ থাকলে ও কেটে গেলে বাদ দিলে তাদের যে লোকসানে পড়তে হয় সে কথা বলেছিলেন আড়তদাররা।
ঈদের দিন চট্টগ্রাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ফড়িয়া ও আড়তদারদের চামড়া সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা আড়তদারদের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ করে দরে কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।
সে তুলনায় ঢাকায় চামড়ার দাম ভালো ছিল; যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা চামড়ার দাম কমে যাওয়ার কথা বলেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। পোস্তার আড়তে দিন শেষে গড়ে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা দরে চামড়া কেনার তথ্য মিলেছে।
ঈদের দ্বিতীয় দিনে আড়তে গরুর কাঁচা চামড়া কেনা হয়েছে গড়ে ৭৫০ টাকা দরে।
গেল বছরের চেয়ে এবার গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমে প্রতিটি চামড়া কিনছেন আড়তদাররা। গেল কোরবানির ঈদে তারা চামড়া কিনছিলেন গড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা দামে।
বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব টিপু সুলতান বলছেন, দ্বিতীয় দিনে ‘শখের গরু’ কোরবানি বেশি হয় বলে এর চামড়ার দাম বাড়তি থাকে।
“গতকাল থেকে আজকে রেট বেশি। কারণ আজকে সাধারণত শখ করে যেই গরুগুলো পালে মানুষ, ওগুলা জবাই হয় ঈদের পরের দিন। এই কারণেই চামড়াগুলোর দাম বেশি থাকে।”

এবার ঢাকার ভেতরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর কাঁচা চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত বছরের তুলনায় ঢাকায় প্রতি বর্গফুটে গড়ে ২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে সমপরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।
সাধারণত বড় আকারের গরুর চামড়া ৩১ থেকে ৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ২১ থেকে ৩০ এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া ১৬ থেকে ২০ বর্গফুটের হয়।
সে হিসাবে লবণযুক্ত ছোট আকারের একটি চামড়ার দাম ৯৯০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর মাঝারি আকারের লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা এবং বড় আকারের লবণযুক্ত গরুর চামড়া ১ হাজার ৯০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
সারাদেশে লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হবে ট্যানারিতে, যা গত বছর ছিল ২২ টাকা থেকে ২৭ টাকা, আর বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা, যা গতবার ছিল ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা।
ঈদের দ্বিতীয় দিনে চামড়া সংগ্রহ
ঈদের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পশু কোরবানি হয়েছে।
রাজধানীর শান্তিবাগ, মালিবাগ, মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেশ কিছু স্থানে পশু জবাই করা হয়েছে।
ঈদের দিন কসাইয়ের সংকট, স্বজনদের জন্য অপেক্ষা এবং পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিভিন্ন কারণে অনেকে দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দিয়ে থাকেন। কোরবানি হয় ঈদের তৃতীয় দিনেও।
ইসলামি নিয়মে, হিজরি জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ–এই তিন দিন সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি দেওয়া যায়।
এসব কোরবানির পশুর চামড়া ও ঈদের দিনের কিছু চামড়া সংগ্রহ চলে দ্বিতীয় দিনে এসে।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব টিপু সুলতান বলেন, সাধারণত খামারি বা ব্যক্তি পর্যায়ে যারা শখ করে বড় ও স্বাস্থ্যবান গরু লালন-পালন করেন, তারা ভিড় এড়াতে বা সুবিধাজনক সময়ে কোরবানির জন্য ঈদের দ্বিতীয় দিনটিকে বেছে নেন।
এসব গরুর চামড়ার আকার বড় হয় এবং এতে কোনো ত্রুটি বা দাগ কম থাকে, যার ফলে ট্যানারি মালিক বা আড়তদারদের কাছে এর চাহিদাও বেশি থাকে।
দাম কেমন?
ঈদের দিন চামড়া বিক্রি করতে এসে দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধিরা।
একই সঙ্গে ফড়িয়া ও রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় কাঁচা চামড়ার বাজারের আড়তদাররাও দাম নিয়ে শঙ্কার কথা বলেছিলেন। চামড়ার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন কেউ কেউ।
তবে দ্বিতীয় দিনে শোনা যায়নি সেসব অভিযোগ, দাম নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতা টিপু সুলতান বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামেই বেচাকেনা চলছে। গড়ে প্রতিটি চামড়া তারা কিনছেন ৭৫০ টাকা দরে। আর তারা লবণযুক্ত চামড়া বিক্রি করবেন প্রতিটি ১২০০ বা ১১৫০ টাকা দরে।
কয়েকজন আড়তদারের সঙ্গে কথা বলেও জানা গেল, এরকম দামেই চামড়া কিনছেন তারা।
তারা বলছিলেন, ছোট আকারের গরুর চামড়া ২০০-৩০০ টাকায় কিনেছেন তারা। আর বড় আকারের চামড়ার কিনতে খরচ করেছেন ৮০০ টাকা।

মান নিয়ে ‘সন্তোষ’
চামড়ার গুণগত মানের বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিটিএর সিনিয়র সহসভাপতি মো. শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “আমরা দেখেছি চামড়ার গুণগত মান মোটামুটি ভালো। চামড়ার যথেষ্ট জোগান ছিল এবং সাইজটাও খুব ভালো ছিল।”
সরকারি ব্যবস্থাপনা ‘অনেকটাই চমৎকার’ ছিল এবং উল্লেখ করার মতো চামড়া নষ্ট হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, “আমি সবকিছু মিলিয়ে বলব যে মোটামুটি এই বছর অনেকটাই ভালো আছে।”
তার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান সালমা ট্যানারির চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ে শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে প্রথম দিনেই প্রায় ২০ হাজার পিস চামড়া সংগ্রহ করে ফেলেছি।
“লবণের মালসহ মোট ৭০ থেকে ৮০ হাজার পিস গরুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।”
সালমা ট্যানারির এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, পাশাপাশি ৫০ থেকে ৬০ হাজার পিস ছাগলের চামড়া সংগ্রহের পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে।
‘মান নিয়ে সরকার আশাবাদী’
শুক্রবার বিকালে রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় কোরবানির কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শনে যান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ, ব্যবসায়ী-আড়তদারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে এবারের কোরবানির অধিকাংশ চামড়া ‘ব্যবহার উপযোগী’ অবস্থায় সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশাবাদী।
মন্ত্রী বলেন, “গতকাল আমিনবাজার এবং আজ পোস্তা ও সাভারের হেমায়েতপুর আড়ত পরিদর্শনে গিয়ে দেখেছি ব্যবসায়ীদের হাতে বিপুল পরিমাণ চামড়া এসেছে এবং সেখানে লবণ মাখানোর কার্যক্রম চলছে।
“কোরবানির সব চামড়া একসাথে ঢাকায় আসে না, স্বাভাবিকভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগে।”
চামড়া সংরক্ষণে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করে তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “সময়মতো লবণ না মাখালে সেই চামড়ার কোনো ব্যবহারিক মূল্য থাকে না।”
বর্তমানে দেশে চামড়াজাত পণ্যের বাজার ও রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা। এর পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরেও চামড়াজাত পণ্যের বিশাল বাজার রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা ও সংগ্রহ
সরকারের তরফে এবার কোরবানির পশুর চাহিদা ১ কোটি ১ লাখের কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে। এর চেয়ে বেশি সংখ্যক পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও বলা হয়েছে, যেগুলোর বেশির ভাগই গরু।
দেশের চামড়া শিল্পের চাহিদার ৮০ ভাগের বেশি কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হয় কোরবানির এই সময়ে।
এই ঈদে ৭৫ থেকে ৮০ লাখ চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতির কথা বলছে ট্যানারি মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)।
ইতোমধ্যে পাঁচ লাখ চামড়া ট্যানারি মালিকরা সরাসরি সংগ্রহ করার তথ্য দিয়েছেন বিটিএর সিনিয়র সহসভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ।
তিনি বলেন, “ঈদের দিন বাজারে যাতে চামড়ার দাম হঠাৎ করে পড়ে না যায় এবং চামড়া নষ্ট না হয়, সেজন্য ট্যানারি মালিকরা সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকেও কিছু চামড়া কিনে থাকেন।
“চামড়া তো, আসলে আমরা লবণযুক্ত চামড়াই সংগ্রহ করি, মূলত ট্যানারি মালিকরা। কিন্তু ঈদের দিন যেন বাজারটা যেন না পড়ে যায়, যার কারণে আমরা হয়তোবা ঢাকার প্রান্ত থেকে চার-পাঁচ লক্ষ পিস চামড়া আমরা সরাসরি এগুলা কিনে থাকি।”
কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের নেতা টিপু সুলতান বলেন, তাদের বাজারে (পোস্তা) ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার চামড়া চলে এসেছে।
“আজকে এবং কালকের মধ্যে আমাদের ৮০ হাজার চামড়া সংগ্রহের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তার কাছাকাছি অন্তত ৭৫ হাজার চামড়া আমরা সংগ্রহ করতে পারব আশা করি।”

চেনা ক্ষোভ, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ
ট্যানারি মালিকরা সাধারণত সরাসরি কাঁচা চামড়া কেনেন না, বরং তারা লবণযুক্ত চামড়া সংগ্রহ করেন।
ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা শাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “গতকালকে যতটুকু আমরা দেখেছি বা যতটুকু প্রস্তাব নিয়ে দেখেছি, মোটামুটি মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়াগুলো সংগ্রহ করে আইনা তারা, যারা ওই যে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করে, তাদের কাছে বিক্রি করেছে।
“আসলে একটা চামড়া যখন মূলত আমাদের কাছে আসে, তিন-চার হাত বদল হয়ে তখন আমাদের কাছে চামড়াটা আসে। আমরা তো আর সরাসরি ওভাবে চামড়া কিনতে পারি না।”
ট্যানারি মালিকরা ‘ইচ্ছেমত’ দাম দেওয়ার পাশাপাশি আগের বকেয়া পরিশোধ না করায় চামড়া সংরক্ষণ, রপ্তানি ও ব্যবসার সবকিছুতেই সংকটের অভিযোগ করেন পোস্তার আড়তদাররা।
এ কারণে হাত বদল হয়ে ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া আসার প্রসঙ্গ টানেন বিটিএ নেতা শাখাওয়াত।
আড়তদারদের অভিযোগ, চামড়া খাতের সবচেয়ে বড় এবং পুরনো সমস্যা হল ট্যানারি মালিকরা তাদের ‘ঠিকমতো’ টাকা দেন না।
বকেয়া থাকার এমন অভিযোগ তুলে হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতা টিপু সুলতান বলেন, “ট্যানারি? এদের কথা কি বলব আপনাদের! এরা কোনো টাকাই দেয় না।
“ট্যানারির মালিকরা ধরেন যা আছে, লবণ দিয়ে যদি ১১০০, ১১৫০ টাকা দাম পড়ে, ১০০-১৫০ টাকা লাভ দিয়ে ১৩০০ টাকায় চামড়া নেবে আরকি ট্যানারিরা, কিন্তু টাকা দেয় না।”
তবে এটিকে ব্যবসার একটা ‘স্বাভাবিক প্রক্রিয়া’ বলে আড়তদের অভিযোগ উড়িয়ে দেন ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতা শাখাওয়াত উল্লাহ।
তিনি বলেন, “এখন দেখেন, আপনার একটা ‘সাপ্লাই চেইন’ যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়, সেখানে ৫০-৬০ কোটি টাকা ওরা বলে ওদের পাওনা আছে। পাওনা থাকতে পারে। এটা তো শুধু কোরবানির চামড়া না। কোরবানির পরের সারা বছরও কিন্তু ওরা চামড়া আমাদেরকে দিয়ে থাকে।”
বকেয়া থাকাকে তিনি তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “যেকোনো ব্যবসায় একটা লেনদেন থাকে। আপনি গার্মেন্টসে যান, যারা উপকরণ সরবরাহ করে, তারাও কিন্তু, তাদেরও তো একটা লেনদেন থাকে।
“তারা তো আর এভাবে বলে না যে ভাই আমাদের টাকা দেয় না। এখন ব্যবসায় যখন লেনদেন থাকে তখন তো অবশ্যই টাকা-পয়সা পাওনা হতেই পারে।”
আরও পড়ুন:
বেলা বাড়ার সঙ্গে কমেছে চামড়ার দাম, অসন্তোষ-হতাশা
পোস্তায় আগের জৌলুস ফেরাতে চান কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা
চট্টগ্রামে চামড়া সংগ্রহে এবার ছোটাছুটি নেই, ‘সিন্ডিকেটে’ দরপতন?