Published : 16 Feb 2026, 11:54 PM
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট ও শুল্ক পুরো মওকুফের প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।
একই সঙ্গে এ পণ্যের আমদানি পর্যায়ে থাকা আগাম কর তুলে দিয়ে এর পরিবর্তে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট বসিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
সোমবার দুটি ভিন্ন প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়।
এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম দ্বিগুণের সরকারি মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এ অব্যাহতির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল উপদেষ্টা পরিষদ।
এ বিষয়ে এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান ব্যবস্থায় এলপি গ্যাসের স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম কর পরিশোধ করতে হয়।
শিল্পখাত ও গৃহস্থালি কাজের জন্য অপরিহার্য্য পণ্য এলপি গ্যাস এর ‘বাজার স্থিতিশীল’ এবং জনসাধারণের ‘ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার’ লক্ষ্যে সরকার জনস্বার্থে এলপি গ্যাসের ওপর প্রদেয় ভ্যাট কিছুটা হাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এনবিআর বলছে, এলপিজি অপারেটরস আসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আবেদন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুসারে সরকার দুটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ আগাম কর প্রত্যাহার করেছে।
একই সঙ্গে এলপিজি আমদানি পর্যায়ে সাড়ে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।
কর আদায়কারী সংস্থাটির ভাষ্য, প্রজ্ঞাপন দুটি কার্যকরের তারিখ হতে এলপি গ্যাস কেনার ক্ষেত্রে পূর্বের তুলনায় ভোক্তা সাধারণের ওপর প্রায় ২০ শতাংশ মূসকভার কমবে।
জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে সরবরাহ সংকট, কারসাজির অভিযোগ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযানের মধ্যে ব্যবসায়ীরা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ করে দেয়।
পরে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলপিজি আমদানিতে ভ্যাট ১০ শতাংশ নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতির সুপারিশ করে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছিল জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।