Published : 27 Aug 2019, 11:27 PM
বাংলাদেশের নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চীনের ন্যাশনাল মেশিনারিজ ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন বা সিএমসির যৌথ কোম্পানির নাম হবে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বা বিসিপিসিএল।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুই পক্ষের মধ্যে এ নিয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী নতুন কোম্পানি ধাপে ধাপে ৫০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম খোরশেদুল আলম এবং সিএমসির চেয়ারম্যান রোয়ান গুয়ান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২১ সালের মধ্যে পাবনায় ৬০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট, ২০২২ সালের মধ্যে সিরাজগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং একই বছর পায়রায় ৫০ মেগাওয়াটের বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করা হবে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন সুবিধাজনক স্থানে ২৯০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী বলেন, “সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে অনেক জমির প্রয়োজন হয়। সে কারণে সৌর বিদ্যুতের সঙ্গে একই সঙ্গে মাছ চাষ, পশু খামার ও শস্য উৎপাদন কীভাবে করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে। এটি করা গেলে নবায়নযোগ্য জ্বলানির আরও প্রসার হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আহমেদ কায়কাউস, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান খালিদ মাহমুদ।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪১ সালের মধ্যে প্রায় ছয় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন করা হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২০ হাজার ৮৪৬ মেগাওয়াট। এর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশীদারিত্ব মাত্র ২ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
এছড়া কয়লা থেকে ২ দশমিক ১৩ শতাংশ, গ্যাস থেকে ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ, ফার্নেস অয়েল থেকে ২২ দশমিক ১১ শতাংশ, ডিজেল থেকে ১০ দশমিক ৪৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। বাকি বিদ্যুৎ আসে ভারত থেকে ও ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে।