Published : 02 Feb 2026, 06:11 PM
প্রতারণার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির দেওয়া ‘চটকদার’ বিজ্ঞাপনের বিষয়ে সতর্ক করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মূল্য ছাড়, চটকদার প্রলোভন, ক্যাশব্যাক বা ইনসেনটিভ দেওয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করছে।
“এই পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাভেল এজেন্সি সংক্রান্ত সব সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতাকে সতর্ক করে মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ১ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। ওই অধ্যাদেশের ৭ (ঠ) ধারা অনুযায়ী, মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মূল্য ছাড়, চটকদার প্রলোভন, ক্যাশব্যাক বা ইনসেনটিভসংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রচার করলে অথবা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করলে ওই এজেন্সির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হবে।”
এর আগে গেল বছরের ২ অগাস্ট ফ্লাইট এক্সপার্ট নামে একটি টিকেট বুকিং কোম্পানির এমডির বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ করে দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে ওই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ প্রতিষ্ঠানটির তিন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে।
২০২৩ সালে ‘লেটস ফ্লাই’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ৩৮টি ট্রাভেল এজেন্সির ১০ কোটি টাকা ‘মেরে দিয়ে’ উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনায় এক কর্মী গ্রেপ্তার হলেও ভুক্তভোগীরা অর্থ ফেরত পাননি।
২০২১ সালে বন্ধ হয় ‘টোয়েন্টিফোর টিকেট ডটকম’ নামের আরেকটি ওটিএ (অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট)। গ্রাহক ও ৬৭টি এজেন্টের চার কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
ওই ঘটনায় কোম্পানির কর্ণধার আব্দুর রাজ্জাকসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছিল সিআইডি; গ্রেপ্তার হয়েছিল কয়েকজন।
এ ছাড়া আলোচিত পি কে হালদার বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে যায় তার অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ‘হালট্রিপ’। দীর্ঘদিনেও প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ী ও গ্রাহক আর অর্থ ফেরত পাননি।
পুরনো খবর