Published : 21 May 2026, 08:20 PM
কোরবানির ঈদের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকার রাখার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক সার্কুলারে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঈদের সময় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকার তোলার চাহিদা বাড়ে। ফলে অনেক বুথের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেক সময় বুথে টাকা থাকে না।
এ বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে প্রতি ঈদের মত এবারও ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
শুধু এটিএম নয়, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোড, ইন্টারনেট ব্যাংক, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে সার্কুলারে।
নির্দেশনায় বলা হয়, এটিএমের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বুথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা বুথ পরিদর্শন করবেন।
পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কিউআর কোডের ক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক লেনদেন সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জাল–জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের সচেতন করতে হবে।
ইন্টারনেট ব্যাংকিং অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যে কোনো লেনদেনের ক্ষেত্রে ‘টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ ব্যবস্থা আবশ্যিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে। ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে অনলাইন ই-পেমেন্ট গেটওয়েতে লেনদেনের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
‘৮৫’ রেসপন্স কোড (পেমেন্ট প্রসেসিং, ক্রেডিট কার্ড লেনদেন, অথবা মেডিকেল বিলিংয়ে একটি নির্দিষ্ট স্ট্যাটাস বোঝাতে ব্যবহৃত) সংবলিত লেনদেনের সেটেলমেন্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর রিসিভিং ব্যাংক কর্তৃক নিজ উদ্যোগে তাৎক্ষণিকভাবে বেনিফিসিয়ারি গ্রাহকের হিসাবে ফান্ড ক্রেডিট করতে হবে।
এমএফএসের ক্ষেত্রে ব্যাংক বা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি কর্তৃক নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন এবং এজেন্ট পয়েন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সব ধরনের অর্থ পরিশোধ সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করতে হবে।
এছাড়া সব লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয়, তার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন সহায়তা দিতে হবে।