Published : 17 Nov 2022, 09:53 PM
বাংলাদেশের সরকারি পেশাজীবীদের পাশাপাশি এখন থেকে বেসরকারি খাতের কর্মীদেরও দক্ষতা বাড়াতে ভারত সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন দেশটির হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।
বৃহস্পতিবার ঢাকার কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) মিলনায়তনে দূতাবাসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (আইটেক) প্রোগ্রামের ৫৮তম দিবস অনুষ্ঠানে প্রণয় ভার্মা বলেন, প্রতি বছরই বিভিন্ন পেশার মানুষের দক্ষতা বাড়াতে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ভারত। এর আলোকে ভারতের স্বনামধন্য ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়।
“প্রতি বছর আইটেক কোর্সের মাধ্যমে হাজারো বাংলাদেশি পেশাজীবী, তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা সংস্কৃতিসহ সব পেশার উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারত সহযোগিতা করছে, আগামীতেও করবে। সরকারি পেশাজীবীদের পাশাপাশি এখন থেকে প্রফেশনাল ও প্রাইভেট সেক্টরেও স্কিল ডেভলপের জন্য আইটেক বৃত্তির সুযোগ পাবেন।”
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, “৫০ বছরে একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পর, দুই দেশ ক্রমবর্ধমান বিস্তৃত সেক্টরাল সহযোগিতায় কাজ করছে। সম্পর্কটি বিশ্বব্যাপী প্রতিবেশী কূটনীতির জন্য রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।
"আমরা ভারতীয় ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে তাদের অমূল্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং রক্ত দিয়েছেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের বৃত্তি দিচ্ছে ভারত সরকার। আইটেক প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে সব পেশার উন্নয়নে দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারত সহযোগিতা করছে আমাদের; যা আমাদের জন্য অনন্য সুযোগ।"
অভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী দুই দেশ ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
১৯৬৪ সালে উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসাবে ভারত সরকারের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম আইটেক প্রতিষ্ঠিত হয়; এর ৫৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এ অনুষ্ঠান হয়।
এতে আইডিইবি’ সভাপতি এ কে এম এ হামিদ সভাপতিত্ব করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ভারতীয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও উন্মুক্ত করার অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে আইটেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে তিনজন নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে তা শেষ হয়।