শোক দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিয়ে নির্দেশনা

সূর্যোদয়ের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় প্রথমে পতাকা দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করতে হবে। এরপর নামিয়ে অর্ধনমিত অবস্থায় বাঁধতে হবে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 August 2022, 02:46 PM
Updated : 10 August 2022, 02:46 PM

১৫ অগাস্ট জাতীয় শোক দিবসে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার তথ্য অধিদপ্তর নির্দেশনায়, জাতীয় পতাকা বিধি অনুসরণে পতাকা উত্তোলনসহ ছেঁড়া বা বিবর্ণ পতাকা ব্যবহার না করে মান সম্মত কাপড় ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে।

‘জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন বিষয়ক নির্দেশনা’ বিষয়ে তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।

জাতীয় পতাকা বিধি অনুসরণে পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তাকার ক্ষেত্রের গাঢ় সবুজ রঙের মাঝখানে লাল বৃত্ত থাকবে। বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার এক-পঞ্চমাংশ।

ভবনে উত্তোলনের জন্য দশ ফুট বাই ছয় ফুট, পাঁচ ফুট বাই তিন ফুট ও আড়াই ফুট বাই দেড় ফুট মাপের তিন ধরনের পতাকা ব্যবহার করা হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, সূর্যোদয়ের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় প্রথমে পতাকা দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উত্তোলন করতে হবে।

“এরপর নামিয়ে অর্ধনমিত অবস্থায় বাঁধতে হবে। ‍পতাকা নামানোর সময় আবার দণ্ডের সর্বোচ্চ চূড়া পর্যন্ত উঠিয়ে ধীরে ধীরে তা নামাতে হবে।”

জাতীয় শোক দিবসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশনার পাশাপাশি আরও বলা হয়, ছেঁড়া বা বিবর্ণ পতাকা ব্যবহার করা যাবে না। পতাকায় মানসম্মত কাপড় ব্যবহার করতে হবে।

১৫ অগাস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শোকের দিনটি নানা আয়োজনে পালিত হয়ে থাকে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক