১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সচিবালয় স্থানান্তরের আলোচনা ‘মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে আগামী সপ্তাহে’

“মন্ত্রিসভা যদি সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে দ্রুত কাজ শুরুর প্রাথমিক প্রস্তুত সেরে রেখেছি,” বলেন জাকারিয়া তাহের।

সচিবালয় স্থানান্তরের আলোচনা ‘মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে আগামী সপ্তাহে’

বাংলাদেশ সচিবালয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 13 Oct 2026, 07:40 PM

Updated : 13 Oct 2026, 07:40 PM

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা আগামী সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আভাস দেন।

ঢাকার আবদুল গনি রোড থেকে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠক হয়। বৈঠক থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসে, এখনকার সচিবালয় এলাকায় আর কোনো নতুন ভবন হবে না; সচিবালয় নেওয়া হবে শেরেবাংলা নগরে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওই বৈঠকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সেদিনের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রীর কাছে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চান সাংবাদিকরা।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, "সচিবালয় নিয়ে এই কার্যক্রম প্রায় চার মাস আগে শুরু হয়েছিল। আমাদের এখানে এক নম্বর ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কথা ছিল। বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনার সময় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকাকে দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ সামনে আসে। তখন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হবে। আমরা এখন সে অনুযায়ী কাজ করছি।

"আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। মন্ত্রিসভা যদি সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই সরকারের মেয়াদেই আমরা কাজটি পুরোপুরি শেষ করার চেষ্টা করব। আগামী মন্ত্রিসভায় যদি সিদ্ধান্ত হয় যে সেখানে সচিবালয় নির্মাণ করা হবে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এই মেয়াদের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।"

সচিবালয়ের বর্তমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "এখানে যে পরিমাণ জায়গা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের বাইরে রয়েছে। পার্কিংয়ের যথেষ্ট জায়গা নেই। ভবনগুলোর অবস্থাও খুব ভালো নয়। অধিকাংশ ভবন গত শতাব্দীর ষাটের দশকে তৈরি।"