Published : 18 Dec 2022, 08:44 PM
ঢাকার এই পর্যটকরা সেন্ট মার্টিন যেতে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের টিকেট কিনেছিলেন বিজনেস ক্লাস লাউঞ্জে। ফিরতি পথে এমভি বে ওয়ান জাহাজে তাদের কোনো আসনই দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। পুরো পথ জাহাজের মেঝেতে বসে-শুয়ে ফিরতে হয় তাদের।
এমভি বে ওয়ান ক্রুজে চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকদের ভাড়ার সঙ্গে খাবারও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ফেরার পথে তাদের খাবার সরবরাহ না করলে উত্তেজিত পর্যটকরা জোর করে জাহাজের দোকান থেকে নিয়ে নেয় সব খাবার।
এমভি বে ওয়ান ক্রুজে চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকদের আবার চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও গভীর রাতে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয় কক্সবাজারে। এতে চরম বিপাকে পড়ে কয়েকশ’ যাত্রী।
গভীর রাতে কক্সবাজারে পৌঁছলে এমভি বে ওয়ান ক্রুজের যাত্রীদের তীরে নিয়ে যেতে মাঝ সমুদ্রে তাদের তোলা হয় এমভি বার আউলিয়া জাহাজে।
যাত্রী স্থানান্তরের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় সমুদ্রের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে উঠতে শুরু করেন আতঙ্কিত পর্যটকরা।
যাত্রী স্থানান্তরের কোনো সুব্যবস্থা না থাকায় সমুদ্রের মাঝে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে উঠতে শুরু করেন আতঙ্কিত পর্যটকরা।
অনেক নারী ও শিশুরাও এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঝ সমুদ্রে এমভি বে ওয়ান ক্রুজ থেকে বার আউলিয়া জাহাজে উঠেন।
সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়া যাত্রীদের মাঝ সমুদ্রে এমভি বে ওয়ান ক্রুজ থেকে নিয়ে এমভি বার আউলিয়া দেড় ঘণ্টায় কক্সবাজারের বাহারছড়া ঘাটে পৌঁছায়।