মসজিদে গোপন বৈঠক: জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ৫ জন কারাগারে
রিমান্ডে আছেন আরও সাতজন।
ঢাকার ফার্মগেইট এলাকার তেজগাঁও কলেজ মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ডে থাকা ১২ আসামির মধ্যে পাঁচ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডিবি পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়ারা হলেন—শিহাব উদ্দিন (৩২), মারজুক আহমেদ (২৬), সাইফুর রহমান খান (৩২), রাম্মি মিয়া (২৯) ও কামিছুল ইসলাম (৩৬)।
সিটিটিসির ইন্সপেক্টর আখতার মোর্শেদ আসামিদের আদালতে হাজির করে শেরেবাংলা নগর থানার জিডি সূত্রে ৫৪ ধারায় কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, “জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১২ জনকে তিন দিনের রিমান্ড দেন আদালত, যা ১০ কার্যদিবসে শেষ করতে বলা হয়।
“রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।”
এ পাঁচজনের পক্ষে জামিন আবেদন ছিল না বলে জানান এসআই শফিকুল ইসলাম।
কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কামিছুল ব্যতীত অপর চারজন মিট আপ গ্রুপ ‘দ্বীনি কমিউনিটি সিলেট বিভাগ’, ‘দ্বীনি কমিউনিটি ঢাকা জেলা’, ‘এসো জামায়াতবদ্ধ হই’ এবং ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে বিভিন্ন গ্রুপের অ্যাডমিন ও সদস্য। তারা এসব সোশাল মিডিয়া গ্রুপ ব্যবহার করে একই মতাদর্শের সদস্য সংগ্রহ করে ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়িয়ে থাকেন। তাদের মোবাইল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
গেল ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার ফার্মগেইট এলাকার তেজগাঁও কলেজ মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয় আদালত।
রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন—সাজ্জাদ হোসেন (২২), আফিফ আহমেদ (২০), মোহাইমিনুল হক (২৭), জাওজি চৌধুরী (১৯), শাহাদাত হোসেন (২৫), সাকিব আহমেদ (২৬) ও জুনায়েদ আহমেদ (২১)।
