উত্তরা থেকে টঙ্গী ফোন ছিনতাইয়ের চক্র
র্যাব বলছে, উত্তরার হাউজ বিল্ডিং থেকে টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সক্রিয় ছিলেন ছিনতাইকারী চক্রের এই সদস্যরা।
রাজধানীতে ছিনতাই কাজে জড়িত একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তারের খবর জানিয়েছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরা ও টঙ্গী থেকে তাদের গ্রেপ্তারের কথা র্যাব-১ এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এরা হলেন– মো. শরীফ হোসেন (২২), আব্দুল্লাহ বাবু (২৩), মো. শ্যামল হোসেন ওরফে রাব্বি (২৩), নাছির রাজ (৩০) ও সাজেদুল আলম ওরফে শাওন (২১)।
র্যাব জানায়, উত্তরার হাউজ বিল্ডিং থেকে টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত এই চক্রের এই সদস্যদের তৎপরতার খবর পেয়ে র্যাব-১ নজরদারি বৃদ্ধি করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “শরীফ উত্তরা আজমপুর হতে আব্দুল্লাপুর বাসস্ট্যান্ড হয়ে টঙ্গী স্টেশন রোড পর্যন্ত সড়কের এই ছিনতাইকারী চক্রের দলনেতা। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলন্ত গাড়িতে থাবা দিয়ে কিংবা অন্ধকারে পথচারীদের জিম্মি করে ছিনতাই করা মোবাইলগুলো অন্যরা তার কাছে জমা করতেন।”
গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব জানায়, শরীফ পাঁচ বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তিনি কম দামে মোবাইলগুলো কিনে রাখতেন। একদিনে তিনি সর্বোচ্চ ৫০টি মোবাইলও সংগ্রহ করেছিলেন।
“আব্দুল্লাহ বাবু ও শ্যামল ছিনতাই করা মোবাইল ও অন্যান্য মালামাল বিক্রি করতেন। তারা বিভিন্ন দোকান, অনলাইন প্লাটফর্ম ও বিভিন্নজনের কাছে খুচরা হিসাবেও এসব মোবাইল বিক্রি করতেন। বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে মোবাইল বিক্রি করতেন।”
নাছির ও শাওন মোবাইল মেরামতকারী জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টঙ্গী বাজারে নাছিরের একটি মোবাইল মেরামতের দোকান রয়েছে। তিনি সেখানে চোরাই মোবাইলের লক খোলা ও আইএমই নম্বর পরির্তনের কাজ করতেন।
“অন্যদিকে মোবাইল মেরামতের দোকানের কর্মচারী শাওন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বিনিময়ে ছিনতাই করা মোবাইলের লক খোলা এবং আইএমই পরিবর্তনের কাজ করতেন।”
তাদের কাছ থেকে ৫৯টি মোবাইল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে র্যাব।
