Published : 11 Jul 2026, 02:56 PM
সাভারের আমিনবাজার এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বর্জ্য সরিয়ে সেখানে নিম গাছ লাগানোর কথা বলেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সাভারের আমিনবাজার এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে চলমান বর্জ্য অপসারণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে শনিবার তিনি এ কথা বলেন বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ও অব্যবস্থাপনার কারণে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তার নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রায় ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্নকরণ এবং মহাসড়কের দুই পাশে নিমগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
“এর ফলে প্রায় ২০ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের এ অংশ দুর্গন্ধ মুক্ত হবে।”
সাভার পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্ধারিত ভাগাড়ে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সফল হবে।”
তার কথায়, “বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
চলমান বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলো সংস্কার করার করা হবে বলেও এ সময় আশ্বাস দিয়েছে প্রতিমন্ত্রী।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলার যে সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ, তা বাস্তবায়নে জেলা ‘প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে’।
“এখানে আমিনবাজার ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকার ১ দশমিক ২ কিলোমিটার রাস্তার বর্জ্য পরিষ্কার করে ১৫ ফিট বালু দিয়ে নেটিং করে ব্যারিকেড দিয়ে নিম গাছের চারা রোপণ করা হবে।”
পরিদর্শনকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুর রাফিউল আলম, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, কেরাণীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, সহকারী কমিশনার (নেজারত শাখা) মো. আদনান জুলফিকার, সাভার উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো. মিনারুল ইসলাম।