Published : 02 Nov 2025, 04:42 PM
বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর ক্ষেত্রে জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) নিয়োগের বিধান বজায় রাখার দাবিতে ঢাকায় মানবন্ধন করেছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
জিএসএ কর্মীদের তরফে রফিকুল ইসলাম বলেন, “জিএসএ নিয়োগের চলমান নিয়ম লঙ্ঘন করলে প্রতি বছর প্রায় ১০০ কোটির বেশি রাজস্ব হারাবে সরকার।”
সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের জিএসএ—ইউনাইটেড লিংকের এই কর্মকর্তার ভাষ্য, “অতীতে নামি বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো জিএসএ ছাড়া বাংলাদেশে পরিচালিত হলে বাজারে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘ টিকিট লাইনের অভিযোগ উঠেছিল—বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য।
“জিএসএ বাধ্যতামূলক হওয়ার পর পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে উন্নত হয় এবং টিকেট সিন্ডিকেশন অনেকাংশে কমে যায়।”

মানবন্ধনে বলা হয়, বিভিন্ন বিদেশি এয়ারলাইন্সের জিএসএ এজেন্টগুলোর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা। দেশি এয়ারলাইন্সগুলোর ‘স্বার্থে’ জিএসএ নিয়োগের বিধান বাতিল করা হলে কর্মসংস্থান কমবে।
মানববন্ধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা , বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় , আইন মন্ত্রণালয় , শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেন তারা।
২০১৭ সালে বাংলাদেশে ফ্লাইট পরিচালনার শর্ত হিসেবে প্রত্যেকটি বিদেশি এয়ারলাইন্সের জন্য স্থানীয় জিএসএ নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এ বিধানটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে এ খাতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
বর্তমানে দেশে ৭০টির বেশি বিদেশি এয়ারলাইনস স্থানীয় জিএসএর মাধ্যমে দেশে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এয়ারলাইন্সের বিপণন, বিমানবন্দরে যাত্রী ও মালামাল ওঠানামায় সহায়তাসহ এয়ারলাইন্সগুলোর দৈনন্দিন কাজ পরিচালনায় নানা ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে আসছে এসব জিএসএ।
পুরনো খবর:
বিদেশি এয়ারলাইন্স: ‘জিএসএ’ নিয়ে সভা বুধবার, বাতিল হতে পারে ‘বাধ্যবাধকতা’