Published : 20 Apr 2026, 01:26 PM
দুর্নীতির মামলায় সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং তার স্ত্রী সৈয়দ মোনালিসা ইসলামের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম পৃথক দুটি আবেদন দিয়ে তাদের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
ফরহাদ হোসেনের আবেদনে বলা হয়, সরকারের দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ১১ লাখ ৮৬ হাজার ২৫২ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখা এবং নিজের নামে থাকা ১২টি ব্যাংক হিসাবে ৬ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭১ টাকা জমা এবং মোট ৬ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার ৯৯৬ টাকা তোলার অভিযোগ আছে। এছাড়া ‘দুর্নীতি ও ঘুষের’ মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা রূপান্তর, স্থানান্তর ও হস্তান্তর করায় দুদক মামলা দায়ের করে।
এজাহার নামীয় আসামি ফরহাদ হোসেন একজন আয়কর দাতা। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ফরহাদ হোসেনের নামীয় মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র বা তথ্যাদি জব্দ করা প্রয়োজন।
মোনালিসার আবেদনে বলা হয়, তিনি এবং তার স্বামী একে অপরের সহযোগিতায় অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হতে চেয়েছেন। তার স্বামী ফারহাদ হোসেনের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও আর্থিক সহায়তায় তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৯৪ লাখ ৫ হাজার ৯৩২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখায় দুদক মামলা দায়ের করে।
এজাহার নামীয় এক নম্বর আসামি সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম একজন আয়কর দাতা। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার মূল আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি জব্দ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটন এলাকা থেকে ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জুলাইয়ের এক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।