Published : 11 Mar 2026, 03:40 PM
‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত’ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুণ্ডর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।
এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা খাতুনের বিরুদ্ধেও একই নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের আলাদা দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন।
গেল বছর জুনে এনবিআর সংস্কার নিয়ে সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের সময় একযোগে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধান শুরুর কথা বলেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তাদের মধ্যে সাধন কুমার একজন। তিনি আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম সংস্কার ঐক্য পরিষদের সদস্য ছিলেন।
সাধন কুমারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন।
আবেদনে বলা হয়, এনবিআরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত’ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার সম্পদ বিবরণী যাচাই বা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তিনি তার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পত্তি হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানতে পেরেছে দুদক।
সাধন কুণ্ডু বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।
ফরহাদ দম্পতির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক সাইদুল ইসলাম।
আবেদনে বলা হয়, ফরহাদ হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী হুমায়ুন কবীর ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।
দুদক বলছে, ফরহাদ হোসেন ও তার স্ত্রী আঞ্জুমান আরা খাতুন দেশ ছেড়ে বিদেশ পলায়ন করতে পারেন। তারা পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কাজ বিঘ্নিত হবে। সে কারণে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।
আগের খবর:
এনবিআরের ৬ কর্মকর্তার তথ্যানুসন্ধানে দুদক