১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষকরা বিভাগীয় প্রার্থী কেন হবেন না, হাই কোর্টের রুল

এ বিষয়ে শিক্ষকদের একটি আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Jan 2024, 08:14 PM

Updated : 23 Jan 2024, 08:14 PM

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনো পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। 

মঙ্গলবার শিক্ষকদের করা রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার এবং বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চ এ বিষয়ে রুল জারি করে। 

একই সঙ্গে রিট আবেদনকারীদের দেওয়া আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে নির্দেশনাও দিয়েছে আদালত। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব, চেয়ারম্যান, বিপিএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মোট ছয়জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে মো. রেদওয়ান হাসান, মো. আবু তাহের, শাহজালাল, মোজাম্মেল হোসেন এবং দীনেশ চন্দ্র মন্ডলসহ বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন সহকারী শিক্ষক এ রিট করেন। 

রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত। 

আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সম্প্রতি সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৩ প্রণয়ন করে, যেখানে প্রয়োজনীয় সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়নি এবং সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার পদের জন্য আবেদনের সুযোগ রাখা হলেও সেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতার শর্ত দেওয়া হয়। 

তিনি বলেন, আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেকোনো শিক্ষক ২ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা নিয়ে সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার পদের জন্য আবেদন করতে পারতেন এবং সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও রাজস্ব খাতে সৃষ্ট পদে অন্যূন ২ বছর স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে চাকরিরত থাকার পর বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। 

ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, “রিটকারীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য আবেদন দাখিল করলেও বিবাদীরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এ কারণে রিটকারীরা এ রিট আবেদন করেছেন। 

“প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ এবং সহকারী শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনো পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ কেন দেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়েছে হাই কোর্ট।”