Published : 09 Sep 2025, 03:57 PM
অবস্থান করতে বলেছে কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস।
মঙ্গলবার দুপুরে দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ভ্রমণ ইচ্ছুক সকল বাংলাদেশি নাগরিককে আপাতত নেপাল ভ্রমণ না করার নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।”
জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাসে যোগাযোগের জন্য দুটি নম্বরও দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। মি. সাদেক: +৯৭৭ ৯৮০৩৮৭২৭৫৯, মিসেস সারদা: +৯৭৭ ৯৮৫১১২৮৩৮১
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৩৬ সদস্যের জাতীয় ফুটবল দলের পাশাপাশি মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) ৫১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলও কাঠমান্ডুতে আটকে পড়েছে। তারা নেপালে গিয়েছিলেন বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে।
সেখানে তাদের কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাদের।
প্রতিনিধিদলটি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবংয় বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
নিবন্ধনহীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ বন্ধ করে দেওয়ায় রুষ্ট জেন-জি বিক্ষোভকারীরা সোমবার কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। তারা দুর্নীতি এবং ব্যবস্থার সংকট নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
বিক্ষোভ পরে সহিংসতায় রূপ নিলে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন প্রাণ হারান। এরপরই আন্দোলন সরকারবিরোধী রূপ নেয়।
বাধ্য হয়ে সরকার সোশাল মিডিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুললেও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ মূল দাবিতে পরিণত হয়। বিভিন্ন দল, এমনকি মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যও এই দাবিতে সংহতি জানান।
মঙ্গলবার কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে নেপালের বিভিন্ন অংশে। প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
ওই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। সেনাবাহিনী সব মন্ত্রী ও বড় বড় দলের শীর্ষ নেতাদের তাদের বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট থেকে হেলিকপ্টারে করে সরিয়ে নেওয়া শুরু করে। তাদেরকে অজ্ঞাত সেনাঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।