Published : 02 Jan 2026, 07:33 PM
ঢাকার দক্ষিণখানে নিজ বাসায় এক নারী কনস্টেবল গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে পরিবারের বরাতে জানিয়েছে পুলিশ।
২৮ বছর বয়সী রাজিয়া সুলতানা মীম এপিবিএনের নায়েক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নয়াবাড়ি গ্রামে, বাবার নাম মো. নাসির উদ্দিন বাচ্চু।
প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বলছে, বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক ‘কলহের জেরে’ বাসার বারন্দার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেন রাজিয়া। পরে তার স্বামী রাজীব মিয়া তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মধ্যরাতে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্যের লাশ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণখান থানার এসআই পলাশ আহমেদ।
মৃত রাজিয়া দক্ষিনখান মোল্লারটেক এলাকায় ১৯ মাস বয়সী একমাত্র মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। তার স্বামী রাজীবও কনস্টেবল হিসেবে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত। রাজীবের গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুরের জাজিরা উপজেলায়।
কর্মসূত্রে রাজিয়া ঢাকার দক্ষিণখানে থাকতেন এবং রাজীব থাকেন ফরিদপুরের ভাঙ্গায়। রাজীব প্রতি সপ্তাহে ঢাকার বাসায় আসতেন।
ঘটনার সময় রাজীব বাসাতেই ছিলেন জানিয়ে এসআই পলাশ বলেন, “রাজীব আমাদের বলেছে, বৃহস্পতিবার রাতে তাদের দুইজনের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে রাজিয়া তার মোবাইল ভেঙে ফেলেন। এরপর বারান্দায় গিয়ে গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। টের পেয়ে রাত ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করে রাজীবই হাসপাতালে নিয়ে যান।”
শুক্রবার দুপুরে ময়নাতদন্তের পর লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বিবেচনা করেই একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এছাড়া রাজিয়ার পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”