Published : 09 Nov 2025, 12:15 PM
ঢাকার মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ স্কুলে হাতবোমা হামলার সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায়, কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিওতে পরিষ্কার বুঝতে পারছে না পুলিশ।
শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ের ফটকের ভেতরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি কাজী মো. রফিক আহমেদ জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় রোববার বেলা ১১টা পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা ‘সম্ভব হয়নি’ জানিয়ে তিনি বলেন, “ঘটনার সময় ইলেকট্রিসিটি না থাকায় সিসিটিভি ফুটেজে তেমন কিছু দেখা যায়নি। আশেপাশের কেউও কিছু দেখতে পায়নি। তবে আমরা কাজ করছি, আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।"
পুলিশের ভাষ্য, রাত আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ের ৩ নম্বর ফটকের বাইরে থেকে একটি হাতবোমা ভেতরে ছুড়ে ফেলা হয়। এটি তখন বিস্ফোরিত হলেও এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। পরদিন শনিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল চার্চের ফটকে একটি হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
গির্জার ফটকের স্টিলের পাতে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়, পরে গির্জার ভেতর থেকে অবিস্ফোরিত অবস্থায় আরেকটি হাতবোমা উদ্ধার করে পুলিশ।
তবে ওই ঘটনার সঙ্গে দুই বাইক আরোহীর জড়িত থাকার কথা জানিয়ে রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, “একটি মোটরসাইকেলে দুইজন এসে ককটেল দুইটি ছুড়ে মারে, এমন প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। তবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
“তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে, কী উদ্দেশ্যে এই হামলা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন: