সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখতে ব্রিটিশ এমপিদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ঢাকা অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও মত দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখতে ব্রিটিশ আইন প্রণেতাদের অনুরোধ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বঙ্গভবনে বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের এ আহ্বান জানান বলে তথ্য দিয়েছে তার দফতর।
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক এপিপিজি চেয়ার ব্রিটিশ এমপি আফসানা বেগমের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন ব্রিটিশ এমপি শওকত আদম এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড কুরবান হোসাইন।
রাষ্ট্রপতি তাদের বলেন, “যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ঢাকা অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদার এবং অন্যতম বৃহৎ রপ্তানি বাজার।”
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়া আফসানা বেগম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের দীর্ঘ পথে জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেও সংগ্রাম চালিয়ে সফল হওয়ার জন্য তিনি রাষ্ট্রপতির প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রপতি প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সদস্যদের যে অবদান রয়েছে, তা এ দেশের মানুষ মনে রাখবে।”
বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ায় প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানায়। এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, “২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশে ও বিদেশে সর্বত্র গ্রহণযোগ্য হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিটিশ বিভিন্ন ইনস্টিটিউশনের মত বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে বাংলাদেশ পার্লামেন্টের জন্য একটি মডেল হিসেবে বিবেচনা করেন।”
এপিপিজির উদ্যোগে জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনেরও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এএসএম বাহাউদ্দিন, সচিব এজেএম সালাহউদ্দিন নাগরী ও প্রেস সচিব সরওয়ার আলম উপস্থিত ছিলেন।
