১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাগরে লঘুচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে বার্তায়।

সাগরে লঘুচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত
ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Sep 2024, 12:33 AM

Updated : 26 Aug 2026, 10:32 AM

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় চার সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

গত শনিবার লঘুচাপ তৈরি হওয়ার আভাস দেওয়ার পর তিন দিনের মাথায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অধিদপ্তর এই সতর্ক বার্তা দিল।  

বার্তায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত রয়েছে। উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতেও বলা হয়েছে ওই বার্তায়।

আবহাওয়ার আরেক সতর্ক বার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী  থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে বার্তায়।

এর আগে ৭ সেপ্টেম্বরও একই ধরনের সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছিল। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছিল। 

সেই অবস্থার তিন সপ্তাহের কিছু বেশি সময় পর আবার লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হল।

সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ১ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে হালকা, ১১ থেকে ২২ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে মাঝারি, ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে মাঝারি ধরনের ভারী, ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হলে তাকে বলা হয় অতিভারী বৃষ্টিপাত।