৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহবাগে অবস্থানে শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা

আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে গেছেন আলোচনার জন্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Feb 2025, 04:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:48 AM

হাই কোর্টের রায়ে নিয়োগ বাতিল হওয়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। 

মঙ্গলবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন তারা। 

অবস্থানরত প্রার্থীরা বলছেন, দুপুরে তাদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে আলোচনার জন্য গেছেন।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে কোটায় নির্বাচিত হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের ফল বাতিল করে হাই কোর্ট। আদালত মেধার ভিত্তিতে নতুন করে ফল প্রকাশের আদেশও দেয়। সেদিন রাত থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা। 

ওই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নিয়োগ বাতিল হওয়া নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচিত প্রার্থী আবুল হাশেম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "গতকাল (সোমবার) রাত থেকে আমরা লাগাতার অবস্থানে আছি। আমাদের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ে গেছেন। তারা ফিরে এলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

"কোটা পুনর্নির্ধারণ করার আগে আমাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষা হয়েছে। সরকার আইন ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। হাই কোর্ট যে রায় দিয়েছে তা বৈষম্যমূলক।"

সোমবার দুপুরে শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীরা শাহবাগ মোড় আটকে অবস্থান নিলে তাদের লাঠিপেটা করে পুলিশ। রাত থেকে তারা শাহাবাগে অবস্থান নেন। এর আগে তারা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থানে ছিলেন।

গত শুক্রবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তার বাসভবন যমুনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। 

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারের কাছে আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে জানতে চান সাংবাদিকরা। 

জবাবে উপদেষ্টা বলেন, "হাই কোর্টে একটা রায় হয়েছে। এর বিরুদ্ধে আমরা আপিল করেছি রায় পুনর্বিবেচনার জন্য।"