১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রিটিশদের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ

এই সতর্কতার বিষয়ে প্রশ্নে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন।

ব্রিটিশদের ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ

 আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশের স্থান নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে মঙ্গলবার নয়া পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান দেখা যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Dec 2022, 08:23 PM

Updated : 06 Dec 2022, 08:23 PM

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে বাংলাদেশে সেদিন চলাচলে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে যুক্তরাজ্য।

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইটে নাগরিকদের বৈদেশিক ভ্রমণ সতর্কতা অংশে বাংলাদেশ বিভাগে এই সতর্কতার অংশটি প্রকাশ করা হয়।

ওই সতর্কবার্তায় বিএনপির সমাবেশ ঘিরে চলাফেরা ও যানচলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

জিওভি ডটইউকে ওয়েবসাইটে বাংলাদেশে ভ্রমণ সতর্কতার অংশে বলা হয়, “১০ ডিসেম্বর ২০২২ ঢাকায় রাজনৈতিক সমাবেশের কথা রয়েছে। যাতে যানবাহন চলাচল, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও শহরে চলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ১০ ডিসেম্বর ঘিরে শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও বাড়তে পারে।”

যুক্তরাজ্যের এই সতর্কতার বিষয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে বিরক্তি প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, “বলছে, বলছে। তারে জিজ্ঞেস করেন, আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? সে কি বেসিসে করেছে, তাকে জিজ্ঞেস করেন। তার দেশে ইদানিং বোধহয় অভাব-টভাব বেশি সে কারণে।”

পুরানো খবর:

১০ ডিসেম্বর কী হবে?

পুরানো খবর:

১০ ডিসেম্বর কর্মীদের পাহারায় থাকার নির্দেশ ওবায়দুল কাদেরের

পুরানো খবর:

সরকার এমন করছে, যেন ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় যুদ্ধ হবে: ফখরুল

১০ ডিসেম্বর ঘিরে কূটনীতিক পাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হবে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “না। আমরা মনে করি না, এটাতে বিরাট কিছু একটা হবে। এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত না। আপনারা মিডিয়ারাই খুব এটা নিয়ে চিন্তিত। এটা মিডিয়া ইস্যু।”

১০ ডিসেম্বর নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই মন্তব্য করে মোমেন বলেন, “এ ধরনের ঢং-ঢাং আমরা আগেও শুনেছি। জনগণের সমর্থন না থাকলে এগুলো সব বিলীন হয়ে যাবে।

“কেউ কেউ হুঙ্কার দিলে সবাই কি পালাবে। কোনোভাবেই না। আপনাদের এত শঙ্কা কিসের, শঙ্কার তো কোনো কারণ নাই। আপনি ঠিকই খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন, ঘোরাফেরা করতে পারবেন। এখানে একটা সরকার আছে। সরকারের দায়-দায়িত্ব রয়েছে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার।”