Published : 12 Oct 2013, 10:54 PM
শনিবার রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে সার্ক কালচারাল সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাবেক সামরিক শাসক বলেন, “আমাকে আগে স্বৈরাচার বলা হত। এখন আর কেউ বলে না। এই বদনাম ঘুচে গেছে। কারন আমি ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর গত ২২ বছরে অনেক বড় বড় স্বৈরাচার এদেশের মানুষ দেখে ফেলেছে।”
বিকেল ৫টায় মিলনায়তনে উপস্থিত হন জাপা চেয়ারম্যান। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ব্যান্ড পার্টির সদস্যরা বিভিন্ন বাদ্য বাজিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান।
এরশাদ বলেন, “আমি সার্কের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ভাবতে অবাক লাগে কীভাবে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের প্রধানকে একত্র করতে পেরেছিলাম! ভারত এবং পাকিস্তান শত্রুভাবাপন্ন দেশ। কিন্তু আমার আহ্বানে সেদিন ভারতের ততকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি জিয়াউল হক একত্রে সার্কের পতাকাতলে মিলিত হয়েছিলেন।”

ফাইল ছবি
এরপর তিনি সার্ক বিষয়ক স্বরচিত কবিতা ‘সাতটি নক্ষত্রের বিকাশ’ আবৃত্তি করে শোনান।
“তবে সার্কের কার্যক্রম এখন নিষ্প্রভ। যে উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম, পরবর্তীতে রাজনীতিবিদরা তা ধরে রাখতে পারেননি।
“আমি স্বৈরাচার ছিলাম, কিন্তু আমিই আইন করে জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষা চালু করেছি। পহেলা বৈশাখে সরকারি ছুটি চালু করেছি। রাস্তা-ঘাট সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছি।”
“আমি যা করেছি, সবই জনগণের জন্য। জনগণের সেবার জন্য রাজনীতি করি, নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়। আসন্ন নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসতে চাই শুধুমাত্র দেশের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।”
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু হোসেন বাবলা, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রমুখ।