Published : 29 Jul 2025, 07:39 PM
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্য শিক্ষক ও মা-বাবা অনেক পরিশ্রম করেন তুলে ধরে শিক্ষা উপদেষ্টা উপদেষ্টা সি আর আবরার তাদের ফুল কিনে দিয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
২০২২ ও ২০২৩ সালের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক আমাদের বড় অংশীজন। ছাত্রছাত্রীদের রাষ্ট্রের কাছে অনেক চাওয়া পাওয়া থাকতে পারে। আমরা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত দাবিগুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারি।
রাষ্ট্রের সম্পদের যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে, রাষ্ট্রের সীমিত সম্পদ পরিকল্পিতভাবে যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে এ সকল সমস্যা সমাধান করতে হবে।”
রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এ সকল কাজ বাস্তবায়নের জন্য নাগরিকদেরও এগিয়ে আসার তাগিদ দিয়ে সি আর আবরার বলেন, “আমাদের অভিভাবকরা দেশের কয়েকটি ভালো স্কুলে ছেলেমেয়েদের ভর্তির জন্য প্রতিযোগিতা শুরু করেন। আমাদের দেশের সকল স্কুলকে মানসম্মত করে গড়ে তুলতে পারলে এসব প্রতিযোগিতা দূর করা সম্ভব।”
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আমরা এমনভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ছাত্রছাত্রীরা আকষর্ণীয় পরিবেশ ও তাদের চাওয়া পাওয়ার সকল কিছু বিদ্যমান থাকবে। তাদের মেধার বিকাশের জন্য বিভিন্ন ইভেন্টের ক্লাব থাকবে। সেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি, চরাঞ্চলে বসবাসকারী ও বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাসকারী উর্দুভাষীদেরকে শিক্ষাগ্রহণের সকল সুযোগসুবিধা বিদ্যমান থাকবে।
“এছাড়াও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষাগ্রহণের জন্য উপযোগী সকল সুযোগসুবিধা বিদ্যমান থাকবে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুল-কলেজে দিয়ে যাতে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে সে ব্যবস্থা আমাদের গ্রহণ করতে হবে।”
অভিভাবকরা কারিগরি শিক্ষায় ছেলেমেয়েদের ভর্তি করতে ‘অনাগ্রহী’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিভিন্ন প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে। তাই আমাদের কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।”
পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস (পিবিজিএসআই) স্কিমের আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মুহাম্মদ আজাদ খান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।