যেকোনো সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
Published : 24 Sep 2024, 09:48 PM
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তার সরকারের ‘পূর্ণ সমর্থন’ দেওয়ার কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় ৯টার কিছু আগে দুই সরকারপ্রধানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে এ কথা বলেন।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বৈঠক হওয়ার তথ্য দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বৈঠকে মুহাম্মদ ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সকল ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা জো বাইডেনের কাছে তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, দেশ পুনর্গঠনে তার সরকারকে অবশ্যই সফল হতে হবে।
এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট যেকোনো সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
বাইডেন বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি দেশের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করতে পারে, তাহলে তাদেরও (যুক্তরাষ্ট্র সরকার) পূর্ণ সহযোগিতা করা উচিত।
প্রেস উইং জানায়, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা জুলাই বিপ্লব চলাকালীন এবং এরপরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আঁকা দেয়ালচিত্রের ছবি-সংবলিত ‘দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ শীর্ষক আর্টবুক বাইডেনকে উপহার দেন।
জাতিসংঘ মহাসচিবের সংবর্ধনায় মুহাম্মদ ইউনূস
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সংবর্ধনায় যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশ্ব নেতাদের স্বাগত জানান মহাসচিব।
অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, মরিশাসের প্রেসিডেন্ট পৃথ্বিরাজ সিং রূপন এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার সম্পর্কিত হাই কমিশনার ভলকার তুর্কসহ অন্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস।
অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের কোনো শীর্ষ নেতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম বৈঠক।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের একজন কূটনীতিক বলেন, এর আগে কোনো বৈঠক হয়নি। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যেদিন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তৃতা দেন, ওইদিন বিকালে তিনি অধিবেশনে আগত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।