Published : 12 Mar 2026, 03:32 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যদানে বাধা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রার মধ্যেই মানিক মিয়া অ্যাভেনিউয়ে এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এ দাবি জানান এনসিপির মুখপাত্র।
কর্মসূচিতে এনসিপির অনুসারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড টাঙিয়ে দেয় সংসদের সীমানাপ্রাচীরে। ‘রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে হবে’, ‘জুলাই গণহত্যার বিচার করতে হবে’সহ নানা ধরনের স্লোগান ছিল প্ল্যাকার্ডে।
এদিনই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে। সংসদে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান বিন হাদি, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের শিকার ফেলানী খাতুনের নাম শোক প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করেন।
গণভোট অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার’র ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে এনসিপির কয়েকজন নেতা অংশগ্রহণ করেন। জুলাই অভ্যুত্থানে বিভিন্ন শহীদ ও আহত পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছিলেন কর্মসূচিতে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের সময় আমরা দেখতে চাই যে, কারা সংসদে বসে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য শুনছেন। এখান থেকেই বাংলাদেশ দুইভাগে বিভক্ত হবে। একটা হলো ফ্যাসিবাদের পক্ষে, আরেকটি ভাগ হলো ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে।
“যারা ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে আছেন, তারা যেন এই রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না দেন। তারা যেন রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দিতে তারা যেন বাধা সৃষ্টি করেন এবং অভিশংসনের দাবি তোলেন।’
আসিফের দাবি, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করে গণভোটের জনরায় অনুযায়ী সংস্কার জুলাই সনদের আলোকে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
মানববন্ধনে তিনটি দাবি পড়ে শোনান এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। দাবি তিনটি হলো, সংস্কার পরিষদের শপথ নিতে হবে; রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে হবে এবং জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।