১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যাডেট কলেজ: টিউশন ফি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ

ফিয়ের নিম্ন ধাপ ১৫০০ টাকা অপরিবর্তিত থাকবে। সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ৬০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব

ক্যাডেট কলেজ: টিউশন ফি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ
ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Feb 2025, 07:40 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:33 AM

ক্যাডেট কলেজে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

পিতা মাতার আয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত এই ফিয়ের নিম্ন ধাপ অপরিবর্তিত রেখে অন্যান্য ধাপগুলোর ফি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এসব তথ্য জানান।

বর্তমানে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি সর্বনিম্ন ১৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২০০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। 

নিম্নধাপের ফি অপরিবর্তিত রেখে সর্বোচ্চ ধাপের এই ফি ৬ হাজার ৬০০ টাকা বাড়িয়ে ২৮ হাজার ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাসের শাহরিয়ার জাহেদী ক্যাডেট কলেজের বেতন বৃদ্ধির নতুন প্রস্তাব যৌক্তিক পর্যায় নির্ধারণ করা হবে কি না তা জানতে চান।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ক্যাডেট কলেজগুলোর টিউশন ফি ছাড়া অন্য কোনো আয়ের উৎস নেই। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজস্ব আয় বাড়াতে প্রাথমিকভাবে টিউশন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। তবে সেটি কার্যকর হয়নি। 

পরে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কথা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন ফি বহাল রেখে সর্বোচ্চ ফি বাড়ানোর প্রস্তাব সব ক্যাডেট কলেজগুলোতে মতামতের জন্য পাঠানো হয়। 

বৃদ্ধির হার ২০১৬ সালে প্রবর্তিত টিউশন ফির তুলনায় ৩০ শতাংশের বেশি নয়।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, যে পরিবারগুলোর মাসিক আয় মাসে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত, ক্যাডেট কলেজে তাদের সন্তানদের টিউশন ফি ১৫০০ টাকা। 

৮০০১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা বেতনের সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সন্তানদের টিউশন ফি ২৫০০ টাকা। 

একই আয়ের অন্যান্য পরিবারের সন্তানদের টিউশন ফি ৩৮০০ টাকা। 

এভাবে সব মিলিয়ে ২০টি ধাপে টিউশন ফি নির্ধারিত আছে।

সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য পরিবারের সন্তানদের বেতনক্রমের তথ্যও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী।

বন্ধ বিমানবন্দর চালুর পরিকল্পনা নেই

অন্য প্রশ্নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান জানান, বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলো চালুর বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজমের লিখিত প্রশ্নে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক, ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ৫টি স্টল বিমান বন্দর রয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক তিনটি ও অভ্যন্তরীণ ৫টি বিমানবন্দর চালু রয়েছে। 

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগারের প্রশ্নে বিমানকে লাভজনক করতে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন ফারুক খান। 

বাহরাইনের ফ্লাইট আবার চালুর তথ্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মালে, সিডনি, কুনমিং, জার্কাতা এবং চীনের উহানে বিমানের সার্ভিস সম্প্রসারণ এবং বেবিচকের ক্যাটাগরি-১ এ উন্নীত হওয়া সাপেক্ষে নিউইয়র্কে বিমানে ফ্লাইট পরিচালনা করার বিষয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানের বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন করে পুরনো উড়োজাহাজ বাদ দেওয়া হবে।

বিমান মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের মধ্যে প্রথাগত ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি ঢাকা-সৈয়দপুর, কক্সবাজার-সৈয়দপুর-ঢাকা এবং ঢাকা-সিলেট-কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বিমান আশাবাদী।