Published : 12 Jul 2026, 02:35 PM
অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে সাঙ্গু, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এর মধ্যে সিলেট বিভাগ এবং উজানে আসাম ও মেঘালয়ে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির আভাস রয়েছে। তাতে করে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিতে পারে।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহান জানান, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও চট্টগ্রামের দোহাজারী স্টেশনে যথাক্রমে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ও ১৪ সেন্টিমিটার এবং কুশিয়ারা নদীর পানি সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে যথাক্রমে বিপৎসীমার ১৪ ও ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে।
এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা স্টেশনে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরী, ফেনী, সোনাগাজী, হালদা নদীর পানি কিছু কিছু স্থানে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আশাপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।
এসময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুয়াই-কংস নদীর পানি বেড়ে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সুরমা নদীর আশপাশের এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাতে নদীর আশপাশে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
বর্তমানে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি গেজ স্টেশনের মধ্যে ৬৬টি পয়েন্টে পানি বেড়েছে এবং ৬০টি পয়েন্টে কমেছে।