২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬ কার্তিক ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগের আলোচনা দ্রুত নিষ্পত্তি করুন: ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে অগাস্টের মধ্যে কাজ শেষ করার তাগিদ দেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগের আলোচনা দ্রুত নিষ্পত্তি করুন: ইউনূস
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বুধবার এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Apr 2025, 08:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:37 PM

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো ও বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন বলে তার দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বন্দর ব্যবস্থাপনায় এমন অপারেটরদের সম্পৃক্ত করতে হবে যাতে আমাদের বন্দরগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। 

“আমরা যে ইনভেস্টমেন্ট হাবের কথা বলছি তা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের বন্দরগুলোকে বিশ্বমানের করতেই হবে।”

বৈঠকে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, দেশের নৌবন্দরগুলোর বর্তমান হ্যান্ডেলিং ক্যাপাসিটি বছরে ১ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন ইউনিট, যা সঠিক পরিকল্পনা ও কর্মপন্থার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ৭ দশমিক ৮৬ মিলিয়ন ইউনিটে উন্নীত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বর্তমানে চালু থাকা চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বছরে ১ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ইউনিট ও মোংলা বন্দর শূন্য দশমিক ১ মিলিয়ন ইউনিট হ্যান্ডেলিং করতে সক্ষম। এগুলোর সক্ষমতা যথাক্রমে ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ও শূন্য দশমিক ৬৩ মিলিয়নে উন্নীত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হয়ে গেলে ৫ মিলিয়নের বেশি ইউনিট হ্যান্ডেলিং ক্যাপাসিটি তৈরি হবে বাংলাদেশের।

বিদেশি বিনিয়োগে লালদিয়া বন্দরের কাজ দ্রুত শেষ কারার ক্ষেত্রে সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বয়ের মাধ্যমে অগাস্টের মধ্যে কাজ শেষ করার তাগিদ দেন।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মোঃ মাহমুদুল হোসাইন খান, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান।