Published : 18 Apr 2026, 07:00 PM
আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের’ (রিহ্যাব) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে ভোটগ্রহণের পর চলছে গণনা।
শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে গণনা শুরু হয়েছে বলে সংগঠনটির জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে। ভোট গণনা চলছে হাতে।
রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদের ২০৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৪০ মিনিট পর শুরু হয়। আর বিকাল ৪টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভোটগ্রহণ শেষ হয় ৪টা ৩২ মিনিটে।
নির্বাচনে ৫৭০ জন ভোট দেন দেন বলে তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান জহিরুল হক ভূঁইয়া।
ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনার সময় কারা সেখানে পর্যবেক্ষণ করবেন, কোন প্যানেল থেকে কয়জন থাকবেন, এ নিয়ে বিতর্কে ভোট গণনা শুরু করতে দেরি হয়।
ভোটের সকাল থেকেই বুথ ও কেন্দ্রের সামনে বহিরাগতদের অবস্থান, নিয়ম ভেঙে প্রার্থীদের প্রচারণা আর সিসি ক্যামেরা না থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে।
সকালে বুথ ও কেন্দ্রের হলরুমের আশেপাশে সিসি ক্যামেরা না বসানোকে কেন্দ্র করে বিতণ্ডা হয়। এরপর ভোটগ্রহণ শুরু হলেও প্যানেলের প্রার্থীদের নিয়মভঙ্গ করে বুথের সামনে জড়ো হয়ে প্রচারণা চালাতেও দেখা গেছে।
রিহ্যাব নির্বাচন: ভোটগ্রহণ শেষও হলো বিলম্বে
এ নিয়ে বারবার মাইকে প্রার্থীদের অনুরোধ করা হয়। মাইকে বলা হয়, “হাত জোড় করে অনুরোধ করছি, আপনারা ভোটারদের বিব্রত করা থেকে বিরত থাকুন।”
ভোটার ছাড়া অন্যদের বুথের সামনে থেকে সরে যাওয়া এবং ভোটারদের 'সুশৃঙ্খলভাবে' ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানায় কর্তৃপক্ষ।
নিয়ম অনুযায়ী যে বলরুমে ভোটগ্রহণ চলে, তার একপাশে ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়। সেখানে ঢুকতে একটা বেরিকেড রাখা হয়েছে, যেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের কাজ ভোটার শনাক্ত করে তাদের বুথ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া। তবে প্রার্থীরা আসলে কখনো তাদের সঙ্গে থাকা লোকদের চাপে এর ব্যত্যয় ঘটতে দেখা যায় এবং কয়েকবার হট্টগোল হয়েছে সেখানে।
এবারের নির্বাচনে ২৯টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৭৭ জন প্রার্থী। নির্বাচনে ভোটার ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৬১৩ জন এবং চট্টগ্রামের ৬১ জন ভোটার। তবে শেষ পর্যন্ত ঢাকার ৫১২ জন এবং চট্টগ্রামের ৫৮ জন ভোট দেন।
এবার প্রথমবারের মতো সভাপতি, ছয় সহ-সভাপতি এবং ১৯ পরিচালক পদে সরাসরি ভোটগ্রহণ হয়েছে।