১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাক্ষী আসেনি, বেনজীরের মামলায় সাক্ষ্য পেছাল

এর আগে ১৭ অগাস্টও কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হননি। এ মামলার ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Sep 2026, 06:21 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:57 AM

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের’ মামলায় সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে গেছে। 

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে বৃহস্পতিবার এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। 

কিন্তু কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় বিচারক ১১ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে দেন বলে দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান। 

এর আগে ১৭ অগাস্টও কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হননি। এ মামলার ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দেন হাফিজুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায় বলে দুদকের ভাষ্য।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, তদন্তে বেনজীরের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা পাওয়া যায়। ব্যয় বাদ দেওয়ার পর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা।

দুদকের হিসাবে, এর ফলে বেনজীর আহমেদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকা।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এসব অর্থের ‘অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে’ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন বেনজীর আহমেদ।

গত ৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। 

এরপর গত ৩ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।