১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বিশ্বস্ত বন্ধু ও সহকর্মী’, হাফিজ উদ্দিনের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা

“রাষ্ট্রসেবায় তার নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jan 2026, 12:45 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:37 PM

রাষ্ট্রসেবায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খানের নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান দেশের মানুষের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

হাফিজ উদ্দিন খানের খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার এক শোক বার্তা এসেছে তার দপ্তর থেকে।

শোক বার্তায় মুহাম্মদ ইউনূস এম হাফিজ উদ্দিনের দীর্ঘ কর্মময় জীবনে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, “এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী। রাষ্ট্রসেবায় তার নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আমার একজন সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জীবনের নানা সময়ে তার প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তার মৃত্যুতে আমি একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী ও বন্ধুকে হারালাম।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হাফিজ উদ্দিন খান কর্মজীবনে যে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভূমিকা রেখেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।

তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার উত্তরায় ১ নম্বর সেক্টরের নিজ বাড়িতে বাধ্যর্কজনিত কারণে মারা যান হাফিজ উদ্দিন খান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।

এম হাফিজ উদ্দিন খান ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে । পরবর্তীতে মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনাসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাও ছিলেন তিনি।

তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান।

এছাড়াও তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।