Published : 30 Jun 2025, 12:21 AM
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধির খসড়া ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার খসড়ার বিষয়ে মতামত দেওয়ার জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
ই-মেইলের ([email protected]) মাধ্যমে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বরাবর এ মতামত পাঠাতে বলেছে ইসি।
১৯ জুন সপ্তম কমিশন সভায় এ আচরণবিধি অনুমোদন করে এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।
এতে ভোটের প্রচারে প্রার্থীর পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লিফলেট, ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও বিলবোর্ড ব্যবহার কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তাও তুলে ধরা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘ঘৃণা’ ছড়ানো বক্তব্য, ভুল তথ্য, বানোয়াট তথ্য বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।
প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট বা অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন; সেক্ষেত্রে প্রচারণা শুরুর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্যাদি জমা দিতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “খসড়ার বিষয়ে সুচিন্তিত মতামত পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর আচরণবিধির গেজেট জারি করা হবে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে—
>> ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য, ভুল তথ্য ও নির্বাচন সংক্রান্ত বানোয়াট তথ্যসহ সব ধরনের ক্ষতিকর কনটেন্ট বানানো ও প্রচারণা নিষিদ্ধ।
>>প্রতিপক্ষ, সংখ্যালঘু বা অন্য কোনো জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না।
>> নির্বাচনি স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মীয় বা জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার নিষিদ্ধ।
ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সম্পর্কে আচরণবিধিতে বলা হয়েছে—
>> সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনসংক্রান্ত সব কনটেন্ট শেয়ার ও প্রকাশ করার আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে।
>> ভোটারদের বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা পক্ষপাতমূলক কনটেন্ট, যেমন এডিট করা ভিডিও বা বানোয়াট খবর প্রচার করা যাবে না।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণার বিধি লঙ্ঘন করলে ডিজিটাল/সাইবার সুরক্ষা আইনের আওতায় শাস্তির বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে।
নির্বাচনি আচরণবিধি চূড়ান্ত: পোস্টার বাদ, থাকছে টিভি সংলাপের সুযোগ