Published : 14 Jun 2026, 05:41 PM
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার সকল খালের সীমানা নির্ধারণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে আলাদা দুটি কমিটি গঠন করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
গেল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয় বলে রোববার স্থানীয় সরকারের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় ঢাকার খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ, পুনরুদ্ধার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য আলদা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-ডিএনসিসির জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী। সদস্য হিসেবে রয়েছেন, ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিএসসির প্রতিনিধি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি।
আর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-ডিএসসিসির ১১ সদদের কমিটির আহ্বায়ক হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী, ঢাকার জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সিএসসির প্রতিনিধি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ওয়াসা, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি।
আগামী তিন মাসের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের আওতাধীন সকল খালের সীমানা নির্ধারণ ও তা চিহ্নিত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে দাখিল করার জন্য আদেশে বলা হয়েছে।
কমিটি কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পরামর্শ গ্রহণ করা যাবে এবং অন্যান্য সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ আশা করছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকার খালগুলোর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ, দখলমুক্তকরণ, পুনরুদ্ধার এবং জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।