শ্রম আইন লঙ্ঘন: ইউনূসের জামিনের মেয়াদ বাড়ল
কয়েকজন বিদেশি পর্যবেক্ষক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ছয় মাসের দণ্ড পাওয়া নোবেল জয়ী মুহাম্মদ ইউনূসসহ গ্রামীণ টেলিকমের চার শীর্ষ কর্মকর্তার জামিনের মেয়াদ পঞ্চমবারের মতো বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কাকরাইলে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ আউয়াল আগামী ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত তাদের জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে দেন।
ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ ও এস এম মিজানুর রহমান।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ হায়দার আলী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস, গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও শাহজাহান। এছাড়া কয়েকজন বিদেশি পর্যবেক্ষক আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের করা ওই মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে গত ১ জানুয়ারি রায় দেয় ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত।
আপিলের শর্তে ওই দিন তাদের ১ মাসের জামিন দেন বিচারক। এরপর ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন ইউনূসসহ চারজন। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল ওই আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে এবং ৩ মার্চ পর্যন্ত তাদের জামিন দেয়।
এরপর তৃতীয় দফায় ১৬ এপ্রিল এবং চতুর্থ দফায় ৪ জুলাই পর্যন্ত তাদের জামিন দিয়েছিল শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। সেই মেয়াদ শেষে নতুন করে জামিন চাইতে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হন ইউনূস চারজন।
২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।
মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করার অভিযোগ আনা হয়।
