Published : 24 Apr 2026, 02:29 AM
রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকায় পরিণত হওয়া মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি থানা, আরেকটি ফাঁড়ি, একাধিক পুলিশ বক্স স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
বৃহস্পতিবার বিকালে মোহাম্মদপুরের বছিলায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের উদ্বোধন এবং ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পদক্ষেপের পরও সবার সহযোগিতা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয় বলে মনে করেন পুলিশ কমিশনার।
মোহাম্মদপুরে সাম্প্রতিক সময়ে ছিনতাই, চুরি, হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কিশোর গ্যাং এর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি এখন সর্বত্র আলোচনা চলছে।
এ অবস্থার মধ্যে পুলিশের তৎপরতা ও অভিযান বাড়িয়েও আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়ায় বছিলায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএমপি।
পুলিশ কমিশনার ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন করেন।
তিনি বলেন, “সকলকে নিয়ে এই ওপেন হাউজ ডে মানে সন্ত্রাসীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। আমরা সবাই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে।"
জনসংখ্যার তুলনায় যতটা থানা, ফাঁড়ি স্থাপনের কথা ছিল তা গত ১৭ বছরে না হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, "গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় একটা মুডে কাজ করতো। কিন্তু এখন কাজ করতে হবে আমাদের অ্যাগ্রেসিভ পলিসি মুডে।
"আরেকটি নতুন ক্যাম্প হলো। বছিলা থানা করার কাজ চলছে। আরো হয়তো কিছু সময় লাগবে। পাশাপাশি আরো ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
মোহাম্মদপুর এলাকায় ৭০০ সিসি ক্যামেরা লাগানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিভিন্ন প্রকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সহায়তা লাগবে।
অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে অভিভাবকদের এগিয়ে আসার উপর গুরুত্ব দেন।
"পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে না আসলে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এছাড়া সামাজিক দায়বদ্ধতাও আছে আমাদের।"
অনুষ্ঠানে র্যাব ২ এর অধিনায়ক খালিদুল হক বলেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক-সন্ত্রাসের ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ অব্যাহত থাকবে।
তেজগাঁও পুলিশের উপকমিশনার ইবনে মিজান, অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বক্তব্য রাখেন।