১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনে-রাতে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের

“আসছে ঈদে শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়া না হলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় ঈদের নামাজ আদায় করব,” বলেন দেলাওয়ার।

দিনে-রাতে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের
এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও শতভাগ  উৎসব ভাতার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Mar 2025, 08:37 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:57 AM

রোজার ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা।

বুধবার থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’ এর সদস্য সচিব দেলাওয়ার হোসেন আজীজী।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “দাবি আদায় না হাওয়া পর্যন্ত আমরা ২৪ ঘণ্টা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করব। উপস্থিতি যাই থাকুক, আমরা ২৪ ঘণ্টাই কর্মসূচি পালন করব।”

তিন সপ্তাহ ধরে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’ এর সদস্যরা। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এবং সরকারি কর্মচারীদের মত একইহারে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার দাবিও জানাচ্ছেন তারা।

জোটের সদস্য সচিব দেলাওয়ার বলেন, “আসছে ঈদে শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়া না হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক আমরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বর্জন করব আর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় ঈদের নামাজ আদায় করব।”

শিক্ষকদের এই জোট মঙ্গলবার দুপুরে মিছিল নিয়ে সচিবালয়ের দিকে যায়। কিন্তু পুলিশের বাধায় পরে শিক্ষা ভবনের দক্ষিণ পাশের রাস্তা ঘুরে আবার প্রেস ক্লাবে ফিরে আসে মিছিল।

দেলাওয়ার বলেন, “বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিভিন্ন ভাতা পরিবর্তনের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে শিক্ষা উপদেষ্টার পদে রদবদল আসছে। এর ফলে শিক্ষকদের দেওয়া সে আশ্বাসের কোনো পরিবর্তন হবে না বলে আশা প্রকাশ করি।

“সরকারের পলিসি ডিসিশনগুলো মূলত মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বাস্তবায়ন করেন। তারা তো থাকবেনই। তাই আশা করছি আমাদের দেওয়া আশ্বাসের কোনো পরিবর্তন হবে না।”

তিনি বলেন, “এই কর্মসূচির সঙ্গে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বার্থও জড়িত। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে একজন শিক্ষার্থীকে মাসে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন দিতে হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ হলে শিক্ষার্থীরা ১০ থেকে ১৫ টাকা মাসিক বেতনে পড়াশোনা করতে পারবে।”